• বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় তথ্য আপা দের সহায়তায় অস্বচ্ছল দরিদ্র ১৬০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার সামগ্রী বিতরণ যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবির পিয়াস এর পক্ষ থেকে শহরে বিভিন্ন জায়গায় ইফতার বিতরণ  যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবির পিয়াস এর পক্ষ থেকে শহরে বিভিন্ন জায়গায় ইফতার বিতরণ   ১২দিন বন্ধ থাকবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি চিরতরে শেষ অবুঝ দুই সন্তানের পিতা ডাকা! আনোয়ারায় রায়পুর ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী উপহার পেলেন ৫’শ পরিবার ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা সিংড়ায় কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশনকৈল পৌর মার্কেটে মাছ বাজারের ঢালাই কাজের উদ্বোধন জয়নাল আবেদীন হত্যাকান্ড মগনামায় ঘেরের বাসায় আগুন, আ’লীগের সভাপতির বাড়িসহ ৩ টি বাড়ি ভাংচুর বন্ধ হতে পারে বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স

অবশেষে গুরুদাসপুরে ৮ দিন পর শিশু তাইবা উদ্ধার

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি / ৫৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

নাটোরের গুরুদাসপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে থেকে চুরি হওয়ার ৮ দিন পর শিশু তাইবাকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে শিশু উদ্ধার বিষয়ে নাটোর পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা গুরুদাসপুর থানা চত্বরে এক প্রেস ব্রিফিং করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে পাশ^বর্তী বড়াইগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর গ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এসময় অভিযুক্ত শাকিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে আড়াই মাস বয়সী শিশুটি চুরি হয়। হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে এক নারীকে শনাক্ত করে গুরুদাসপুর থানা পুলিশ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, শিশু তাইবাকে উদ্ধারে তাৎক্ষনিকভাবে গুরুদাসপুর থানা পুলিশ, ডিএসবি, ডিবি এবং জেলার চৌকস অফিসারদের সমন্বয়ে ৪ টি স্পেশাল টিম গঠন করে অভিযান পরিচালনা শুরু করা হয়। গুরুদাসপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ও গুরুদাসপুর থানার সকল সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষন করা হয়। সিসিটিভির ফুটেজ হতে প্রাপ্ত তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সকল তথ্য যাচাই বাচাই করে নিরলস বিরতিহীনভাবে ৮ দিন অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বড়াইগ্রাম থানাধীন কালিকাপুর গ্রাম হতে চুরি হওয়া শিশু তাইবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। শিশু চুরির সাথে জড়িত শাকিলাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, অভিযুক্ত শাকিলার জন্মের ৮ বছর পর তার মা মারা যায়। বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সৎ মায়ের সংসারে তার বেড়ে উঠা। তার বাবা শাকিলাকে সিংড়া থানাধীন বিলদহর গ্রামে বিয়ে দেন। সেখানে ৫ বছর সংসার জীবনে তার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তীতে বড়াইগ্রামে সাইদুল ইসলাম নামে এক ট্রাক ড্রাইভারের সাথে তার বিয়ে হয়। দ্বিতীয় বিয়ের পর তার বাবা মার সাথে তার দূরত্ব তৈরী হয়। শাকিলা চিকিৎসা গ্রহনকালে গুরুদাসপুর বাসস্টান্ডে এক জনৈক এনজিও কর্মির সহধর্মীনির সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুত্র ধরে শাকিলার গর্ভের সন্তান উক্ত এনজিও কর্মির পরিচিত একজন নিঃসন্তান সহকর্মিকে দত্ত্বক দেয় শাকিলা। এরপর শাকিলার স্বামী সাইদুল ইসলাম শাকিলাকে তার সন্তানের জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দিতে থাকে। তখন স্বামীর অগোচরে স্বামীকে বুঝ দেওয়ার জন্য গুরুদাসপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হতে তাইবাকে চুরি করে নিয়ে যায়।
শিশু তাইবার মা সীমা বেগম। তার বাড়ি উপজেলার মশিন্দায়। ওই এলাকার মো. তৌফিজ মোল্লার স্ত্রী তিনি। তাইবাকে ফেরত পেয়ে খুশি তার মা-বাবা। তারা পুলিশ ও সাংবাদিকদের ধন‌্যবাদ জানান।#

ক্যাপসান ১. শিশু তাইবা উদ্ধারে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহার প্রেস ব্রিফিং ২. শিশু তাইবা ও তার মা ৩. শিশু তাইবা ও তার মায়ের ছবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category