• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

আছে কোর্টের আদেশ: পেকুয়ায় পুলিশ গিয়ে থামাল স্থাপনা নির্মাণ কাজ

পেকুয়া প্রতিনিধি / ১৩৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

পেকুয়ায় পুলিশ গিয়ে থামাল বিরোধীয় জমিতে নির্মিত স্থাপনা নির্মাণ কাজ। ৫০ শতক জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালীপক্ষ জমিতে অনুপ্রবেশ চেষ্টা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভোগদখলীয় জমির মালিক কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম.আর মামলা রুজু করে। এ দিকে কোর্টের স্থিতি আদেশ থাকলেও বিরোধীয় পক্ষ জমি দখলের কু-মানসে স্থাপনা নির্মাণকাজ চালানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ওই স্থানে পৌছে। এ সময় বিরোধীয় জমিতে নির্মিত আংশিক স্থাপনা নির্মাণকাজ থামিয়ে দেয় পুলিশ। ১০ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড নাপিতখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্র জানায়, ৫০ শতক জমি নিয়ে নাপিতখালীতে মৃত ফয়েজ আহমদের পুত্র বদরুল আলম ও প্রতিবেশী মৃত মো; পেঠানের ছেলে ফরিদুল আলম গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ১৯৭২-৭৩ সনের দিকে ওই জমি বন্দেবস্তীমূলে দলিল প্রাপ্ত হন বদরুল আলম। জমির বৈধ মালিক হিসেবে তিনি সন সন সরকারী খাজনা আদায় করছিলেন। জমিতে জমাভাগ সৃজিত হয় বন্দোবস্তী মালিকের অনুকুলে। প্রতি বছর ওই জমিতে বদরুল আলম ফসল ও শাক সবজি আবাদ করছিলেন। সম্প্রতি ওই জমি জবর দখলের প্রচেষ্টা চলে। মৃত মোহাম্মদ পেঠানের ছেলে ফরিদুল আলম গং সম্প্রতি জমি দখলের প্রস্তুতি নেয়। এ সময় বদরুল আলম জমি জবর দখল ঠেকাতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম.আর মামলা যার নং ১২৫০/২০ রুজু করে। আদালত স্থিতি অবস্থা বিদ্যমান রাখতে পেকুয়া থানা পুলিশকে আদেশ দেন। এ ছাড়াও সহকারী কমিশন (ভূমি) পেকুয়াকে প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য তদন্তভার অর্পণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ফরিদুল আলম গং বিরোধীয় জমিতে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় ভাড়াটে লোকজনসহ ফরিদুল আলম গং ভীতি ছড়িয়ে জমিতে ঘেরা বেড়া ও একটি ছটের ছাউনি কুঁড়েঘর তৈরী করে ফেলে। নাল জমি গর্ত করতে সেখানে মাটিও খনন করছিলেন। খবর পেয়ে পেকুয়া থানার এ,এস,আই জসিম উদ্দিনসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ওই স্থানে পৌছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জবর দখলকারীরা সটকে পড়ে। পুলিশ বিরোধীয় জমিতে কাজ না করতে বারণ করে। বদরুল আলমের ছেলে মগনামা শাহ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা জসিম উদ্দিন জানান, এ জমি আমার পিতার বৈধ সম্পত্তি। বাবা বয়:বৃদ্ধ। আমি থাকি শিক্ষকতার পেশার জন্য এলাকার বাইরে। বাড়িতে পুরুষ সদস্য নেই। থাকেন মহিলারা। আমরা দুর্বল বলে তারা লাঠি সোটা ও পেশী শক্তি দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করছে। আমার বাবা কোর্টে মামলা করেছে। বাবা অসুস্থ ও অক্ষম থাকায় এখন দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে আমাকে। কোর্টের আদেশ অমান্য করে তারা জমিতে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। এ.এস.আই জসিম উদ্দিন জানান, আমি গিয়েছিলাম। কাজ না করতে বলে দিয়েছি। পুলিশের কাজ হচ্ছে শান্তি শৃংখলা রক্ষা করা। বিজ্ঞ আদালতে মামলা আছে। পুলিশ স্থিতিবস্থার পক্ষে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category