• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও শীতের দাপটে ছিন্নমুল ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি গুয়াপঞ্চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন হাসানুর রশীদ চাতরী ইমাম হোসাইন (রাঃ) সুন্নী সমাজ কল্যাণ পরিষদের ১১তম মাহফিল সম্পন্ন বদরখালীতে চশমা প্রতীকের গণজোয়ার গণতন্ত্র সম্মেলনে দাওয়াত না পাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছু নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিটনের প্রথম টেস্ট শতক নাসিরনগরে সাপ আতংক নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেস ব্রিফিং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুকুল হোসেন পেকুয়ায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ উজানটিয়ায় জনসমুদ্র চশমার পথসভা, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শংকা

চকরিয়ায় বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া: / ২৫১ Time View
Update : শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০

চকরিয়ায় তালাবদ্ধ বসতবাড়ীর কক্ষে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ল্যাপটপসহ মূল্যবান সরঞ্জামাদি পুড়ে ছাই হওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা উধাও হয়ে যায়। সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সাত লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নস্থ কাটাখালী এলাকার আবদুল মতলবের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের কারণ রহস্যময় থেকে যায়।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এদিন মাগরিবের পর আবদুল মতলবের একতলা বিশিষ্ট টিনসেট বিল্ডিং বাড়ির রবিউল আলম রাজনের কক্ষ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পাওয়া যায়। এসময় শোর চিৎকার শুনে লোকজন জড়ো হয়ে জানালার খোলা অংশ ও বাড়ির উপরের টিন কেটে পানি নিক্ষেপ করে। ঘন্টা খানেক প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগে রাজনের দুটি কক্ষের একটিতে থাকা সমস্ত কিছুই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আবদুল মতলবের কন্যা আনিকা জানিয়েছেন, আমরা দুই বোন নিজেদের কক্ষে বসে গল্প করছিলাম। পুড়া গন্ধ পেয়ে বারান্দায় এসে দেখি বাইরে লোকজন শোর চিৎকার দিয়ে আমাদের অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে অবগত করছে। আমরা এনিয়ে দৌড়ে আসতে দেখি আমাদের বাড়ির আঙ্গিনা থেকে কোর্ট পেন্ট পরিহিত ৪-৫ জন লোক দ্রুতগতিতে বের হয়ে যাচ্ছে। পরে আমরা আগুন নেবানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
ক্ষতিগ্রস্ত রবিউল আলম রাজন বলেন, ঘটনার ক’দিন আগে তার স্ত্রী পিত্রালয়ে বেড়াতে যান। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তিনি তার দুটি কক্ষের একমাত্র দরজাটি তালাবদ্ধ করে বেরিয়ে পড়েন। সন্ধায় ফোনে খবর পেয়ে তিনি ঘরে আসেন এবং তার কক্ষ খুলে সর্বনাশের চিত্র দেখতে পান। এসময় তার ড্রয়ারে রাখা নগদ তিন লক্ষ টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা পাননি। বাকি এক লাখের সব টাকা পুড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট রক্ষিত স্থানে পাননি ড্রয়ার ও অপর কক্ষের আলমারির চাবি। খোলা অবস্থায় পাওয়া যায় আরমারি ও ড্রয়ার। রহস্যময় বিষয় হলো আরমারির দুই ভরি স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়নি আর ১৫-২০টি শাড়ি অপর কক্ষে পুড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের কক্ষে থাকা তার ব্যবহারের ল্যাপটপ ও তার পরিবারের জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জমিজমার দলীলপত্র, হিসেবের খাতা ও প্রয়োজনীয় বইপুস্তক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এনিয়ে রবিউল আলম রাজন অসহায়ত্ব সময় পার করছে।
তার মতে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো বের হওয়ার সময় তিনি দরজা তালাবদ্ধ করেই বের হয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘরে এসে সে নিজেই তালা খুলে প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে উধাও হওয়া এবং একস্থানের জিনিসপত্র অন্যত্রে পাওয়া নিতান্তই রহস্যজনক বলে দাবী করেন রবিউল আলম রাজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category