• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলবাড়ীতে খেলার মাঠ দখল মুক্ত করার দাবিতে এলাকাবাসীর মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে নজরুল জয়ন্তী পালিত বেনাপোলে দুই যুবকের পায়ুপথ থেকে মিললো ৩টি সোনার বার পেকুয়ায় নিহত মুক্তিযোদ্ধা কালু মিয়ার সম্পত্তির ভাগ পাননি এতিম নাতি বেলাল মাঝি! ঈদের দিনে যুবক হত্যা চেষ্টার মামলায় দুই আসামী র‌্যাবের জালে বন্দি ছাত্রলীগকে কাপুরুষ সন্ত্রাসী বানিয়েছে আ’লীগ : রিজভী যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গুলি, ২১ ছাত্র-শিক্ষক নিহত প্রথম সেশনে ২ উইকেট, ম্যাথুজ-ধনাঞ্জয়ে এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ইভিএম বিশেষজ্ঞদের সাথে বৈঠকে ইসি রাঙ্গামাটিকে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ

চাঁদা না পেয়ে কালর্ভাট ভরাটে পানি জমে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

চকরিয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধি / ৮২ Time View
Update : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১

কক্সবাজারের চকরিয়ায় দীর্ঘ ৭২ বছরের ভোগ-দখলীয় চাষাবাদী ধানী জমির উপর দিয়ে বর্ষার পানি চলাচলের কালর্ভাটগুলো চাঁদা না পেয়ে মাটি দিয়ে ভরাট করায়,প্রায় ১০কানি বা ৪একর জমিতে করা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।এমন অভিযোগ ভূক্তভোগী চাষিদের।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার ছিরাঘোনায় এ ঘটনা ঘটেছে।তবে দেখা মেলে,ছিরাঘোনায় চাষাবাদকৃত আমন ধানের জমির উপর বর্ষার উজান থেকে আসা পানি বয়ে পশ্চিম-দক্ষিণে বকরিয়া ঘোনা হয়ে খালে চলে যায়।এখন দুই ঘোনার মধ্যেখানের বাঁধে থাকা ছোট-বড় কালর্ভাট বা নাশিগুলো ভরাট করে দেয় বকরিয়াঘোনার চাষি মালিক পক্ষ।ফলে বৃষ্টির পানি আর নামতে না পারায়,পানি জমে ধান পচেঁ ব্যাপক ক্ষতি শিকার ছিরাঘোনার চাষিরা।

ছিরাঘোনার মালিকেরা হলেন,নুরুল আলম,বদিউল আলম,শাহাব উদ্দিন,নাছির উদ্দিন,আবুল হাশেম,মোজাহের হোসেন,নুরুচ্ছাফা,আবু ছৈয়দ মাঝি,বেলাল উদ্দিন,বাহাদুর আলম ও নেজাম উদ্দিন।

ভূক্তভোগী এই চাষিদের পক্ষে নুরুল আলম জানান,বিগত ১৯৪৯সনে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের, ফাঁসিয়াখালী বনবিটের অধীনস্হ ভিলেজার হিসেবে রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার ৩৩জন্ন্যা ছিরাঘোনায় ১১জন্ন্যা গ্রুপের ৫জন্ন্যা ঘোনা নামক এলাকায় অনাবাদী জমি আবাদ করে অদ্যবধি পর্যন্ত পৈত্রিক সূত্রে চাষি জমি প্রাপ্ত হয়ে আমরাও চাষাবাদ করে আসছি।১৯৬০ সনে একই রেঞ্জের ডুলাহাজারা বনবিটের অধীন ২২জন্ন্যা ভিলেজার গ্রুপেরা বাহিরে নতুন করে বকরিয়াঘোনা আবাদ পূর্বক ভোগদখল করে আসছিল।তবে দুই আবাদকৃত ঘোনার মধ্যেখানের বাঁধের বর্ষার মৌসুমের পানির চলাচলের জন্য কালর্ভাট বা নাশি ছিল।উক্ত কালর্ভাট বা নাশি দিয়ে পাহাড়ের উজান থেকে আসা বৃষ্টির পানি চলাচলে করে থাকে।হঠাৎ চলিত বর্ষার মৌসুমে বকরিয়াঘোনার সর্দার জালাল বাঁধের কালর্ভাট বা নাশি মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।এখন বর্ষার বৃষ্টির জমে আছে আমাদের ছিরাঘোনার চাষি জমিতে।এই পানিগুলো চলে যাওয়ার জন্য কালর্ভাট-নাশি খুলে দিতে বললে,জালাল আমাদের থেকে বাৎসরিক চাঁদা দাবী করে বসে।আমরা অপারগতা স্বীকার করায়,পানিগুলো যেতে না দেওয়ায় এখন রোপিত ১০কানির মত আমন ধান পচেঁ যায়।এভাবে আরো বৃষ্টি হলে,এই পানিও যেতে না পারলে আরো অনেক জমির ধান পচেঁ ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে।যার ফলে আমাদের ছিরাঘোনার চাষি বা জমি মালিকের প্রায় ৪লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে।তবে আমাদের ছিরাঘোনায় মোট চাষাবাদী জমির পরিমাণ হচ্ছে ২৭একর বা ৬৬কানি।এবিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিয়েছি।

এবিষয়ে চকরিয়া উপজেলার কৃষি অফিসার মোঃ নাছিম বলেন,পানি চলাচলে প্রতিবন্ধতা সৃষ্টিতে ধানের ক্ষতি হয়েছে।এমন অভিযোগ পায়নি।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবসা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category