• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাঙ্গামাটিকে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ চকরিয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলায় ১ জন নিহত বিতর্ক ছাড়াই মেহেরনামা ইউনিয়নের গণশুনানী সম্পন্ন চকরিয়ায় ইউপি সচিবের উপর হামলার ঘটনায় ইউপি মেম্বার কারাগারে চকরিয়ায় জনশুমারী ও গৃহগণনা বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুলে বিশ্ব মেডিটেশন দিবসের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত! চীন আক্রমণ করলে তাইওয়ানকে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে যুক্তরাষ্ট্র : বাইডেন ফুলবাড়ীতে বোরো ধান সংগ্রহে লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন বেনাপোলে ৫টি বিদেশি পিস্তলসহ বাবা-ছেলে আটক। সাতক্ষীরা পৌরসভার সিইও বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত ৩০ মে

ছেলের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন প্রতিবেদক / ১১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন ও জনপ্রশাসন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে শুরু হলো- ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা, সেই গল্প শুনিয়েছেন।

গত ২৩ জুলাই ছিল পাবলিক সার্ভিস দিবস, তবে করোনার কারণে এটির আয়োজন আজ মঙ্গলবার করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এতে ‘২৭ তারিখ আমাদের জন্য বিশেষ দিন’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটিও আমার বিশেষ দিন। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ, পাকিস্তান দিবস। সেদিন বাংলাদেশের কোথাও পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করেনি। (ধানমন্ডি) ৩২ নম্বরের বাড়িতে আমার বাবা বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করলেন। তখন আমি কেবল সন্তানসম্ভবা। আমি সাধারণত বাবার হাত-পায়ের নখ কেটে দিতাম, সেটা আমার নিয়মিত কাজ ছিল। সেদিন একমগ পানি নিয়ে বাবার নখ কাটতে বসলাম। সেদিন বাবা বললেন, হ্যাঁ, ভালোভাবে কেটে দে, কারণ পরে আর সুযোগ পাবি কি-না! তবে তোর ছেলে হবে, সে ছেলে স্বাধীন বাংলাদেশে হবে, তার নাম “জয়” রাখবি।’

২৫ মার্চের ভয়াল রাতের ঘটনা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের বন্দি অবস্থায় মেডিকেলে জয়ের জন্ম হয়। পরে বাচ্চা নিয়ে কারাগারে আসলে একজন পাকিস্তান সেনা অফিসার জিজ্ঞেস করে তার নাম কী? আমি বলি, জয়। বলে মানে কী? বলি, জয় মানে জয়, ভিক্টরি। তখন এই ছোট্ট শিশুকেও তারা গালি দেয়।’

তিনি বলেন, ‘আজ তার (জয়ের) জন্মদিন। ৫০ বছর বয়স হলো জয়ের। এই করোনার কারণে আমরা একসাথে হতে পারলাম না, এটা আরেকটা দুঃখ। আপনারা এই দিনটি স্মরণ করছেন, সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আজকে যেই ডিজিটাল বাংলাদেশে আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি। এটা জয়েরই ধারণা, জয়েরই চিন্তা। কারণ, ৮১ সালে এসে যখন বার বার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করি। তখন বার বার আমাকে গ্রেফতার-গৃহবন্দি করা হয়েছে। তখন বাবার বন্ধু আজিজ সাত্তার কাকা জয় ও পুতুলকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। স্কুল থেকেই জয় কম্পিউটার শিক্ষা নেয়। যখন ছুটিতে আসতো, কম্পিউটার নিয়ে আসতো। জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি। ৯১ সালে যখন পার্টির জন্য অনেক দামে কম্পিউটার কিনি, তখনই আমরা আলোচনা করি, কীভাবে দেশে কম্পিউটার শিক্ষা শুরু করা যায়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category