• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

তিনার স্নেহভাজন ও আস্থাভাজনের কান্ড!

সাইফুল ইসলাম বাবুল / ২৩৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১

তিনাররে আপনারা ছিনেন। আমরা ভয়ে তিনার নাম ধরিনা। কারন কি অঘটন ঘটায়। অনেক বড়ো বড়ো বীর তিনার অাস্থাভাজন, অর্থাৎ অাকামের মালিকেরাই তিনার আস্থাভাজন ও শ্নেহভাজন। তিনি প্রত্যেক জায়গায় একজন উসুল কারক সৃষ্টি করেন। তারা যে কোনো প্রকারে অর্থ যোগান দেন। মামলা বানিজ্য, দখল বানিজ্য, দলীয় পদবী বানিজ্য, নমিনেশন বানিজ্য, টেলিফোন বানিজ্য, বিচার বানিজ্য যে কিছুর বিনিময়ে টাকা চাই। জানিনা তিনি কবে ভারতের টাটা, কিংবা আম্বানী পরিবারের মতো হয়। তাতে দেশের লাভ কিন্তু হয় কিনা? এক ভদ্র লোক টাট্রার ছলে তিনাকে বলেছিলেন আপনার মতো এতো অবৈধ টাকা আমার নেই, তবে বৈধ টাকা আপনার চেয়ে বেশী আছে।

যাক এবার আস্থাভাজনদের পরিচয় জেনে নিনঃ-
উজান টিয়াঃ-
………………..
এই ইউনিয়নে তিনার আস্থাভাজন ব্যক্তিটি সরকারী জেলেদের ভবন দখল করে ঘর নির্মান করেছে। অসংখ্য খাল-বিল জমি জবরদখল করে আছেন। বিচারের নামে টাকা রোজগার, পারিবারিক ফাসাদ সৃষ্টিকারী , যার বদন্যতায় উজান টিয়ার চার শতাধিক মানুষ মামলার আসামী। থাকেন শহরে মাঝে মাঝে উনি গ্রামে আসেন খাজনা নেবার জন্য। তান পুত্র, ভাই, আত্মীয়রা এখন উজান টিয়ার খাল ও পাড়া থেকে চাঁদা আদায়ে ব্যস্ত। তিনি তিনার আস্থাভাজন বলেই একটি রাজনৈতিক পদবীসহ দুটি প্রশাসনিক পদে আছেন। যেনো এলাকায় আর কোনো মানুষ নেই তিনি অন্যায় করলে কিছুই বলা যায়না।গায়ের জোরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা প্লট বানিয়ে বিক্রি করেছেন। এখন নাকি ইউপি মেম্বার ও বিক্রি করতেছেন। তার কান কথায় তিনার মাথা গরম হয়ে যায় তাই মামলা নিতে থানায় ফোন করেন। তিনি এখন ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করেন। কোনো কালে বৈধ ব্যবসা ছিলো কিনা সন্দেহ। তাহলে দালান বাড়ী গাড়ি এলো কোত্থেকে। মনে হয় যাদুর বক্স আছে। এলাকার শিক্ষিতোজনেরা তাকে ভয় করে ইজ্জতের ডরে। আল্লাহ না করুন কোনোদিন কোনো বড় পদে গেলে কেয়ামতের নমুনা দেখাবে। নারী ঘটিতো ব্যাপার নাই বললাম। সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ কেন্দ্র কেটে নিয়ে চেয়ারম্যান হওয়ার সপ্ন দেখে। মানুষে বলে রেড ক্রিসেন্টের টিকেট বেচে নেয়া টাকা গুলো ফেরত চাই। একটি বাড়ি একটি খামার খাবার টাকা গুলো ফেরত চাই। তিনি একজন পুরা দস্তুুর মধ্যস্বত্ব ভোগী দালাল।পড়ালেখা কতোটুকো করেছে জানিনা তবে শুদ্ধ বাংলায় কথাও বলতে পারেনা।পূর্ব গোষ্ঠী কেউ আওয়ামী দলের সংগে সম্পৃক্ত ছিলো কিনা জানিনা। কিন্তু এখন দেশপ্রেমের ভান ধরেছে।

এবার আসি মগনামায়ঃ-
…………………………..
তিনার আস্থাভাজন কোন ঘরনার লোক আপনারা জানেন। দলের ত্যাগীরা এখন দেশ ছাড়া। আস্থাভাজন এবং স্নেহভাজনের অত্যচার, মামলা হামলার ভয়ে। তিনার নির্বাচনের পরে তিনি হুশিয়ারী দিলেন অমুকের ব্যাপারে কেউ কিছু বলবেনা আমি তাকে দায়মুক্তি দিয়েছি। তিনি এখন আওয়ামী সভায় মিছিল নিয়ে যায় এবং দাপটের সহিত মঞ্চ কাপানো বক্তব্য রাখেন। মানুষের রক্ত চোষা টাকার ভাগ তিনাকে দেন। তিনার জন্য এলাকার অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড হচ্ছে। এলাকার কোনো লোক ব্যাবসা কিংবা চাকোরীর জন্য তিনার স্নেহভাজনের কাছে ভিড়তে পারেনা। অতএব এলাকার ইউনানের টাকা তিনাসহ গুটি কতেক লোকে খায়। কিছু টাকা অন্য জেলায় চলে যায় আর স্থানীয়রা আঙ্গুল চোষে। বি এন পি করে আওয়ামীলীগ নিয়ন্ত্রণ অনেক যোগ্যতার ব্যাপার। তার বৈধ হেক কিংবা অবৈধ হোক টাকা যখন আছে সে-ই যোগ্য। দূর্বল ব্যাক্তিকে নৌকা দিয়ে তিনার স্নেহভাজনকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী বৈতরণী পার করাতে চায়। তবে শেষ কথা মগনামা এখন নৈরাজ্যের দিকে ধাবিত । কার নেতৃত্বে ভাবুন।

রাজাখালীঃ-
……………
কি আর বলিবো রাজাখালীর কথা। হার্মাদ জলোদস্যু এবং স্থলোদস্যুকে প্রতিষ্টতো করতে চায় তিনা। যেই করে হোক টাকাতো চাই। তিনার স্থাভাজনরা পারেনা এমন কোনো কাজ নেই। তাই ভালো লোকেরা গালিতো শুনবেই। তিনা কেনো নৌকা বিদ্রোহীর জন্য নৌকা প্রতীকের জন্য মরিয়া। তবে ক্যাশিয়ার সৃষ্টিই তিনার আসল উদ্দেশ্য।

বারবাকিয়ঃ-
…………….
তিনা এখনো বারবাকিয়াতে আস্থা ভাজন স্থির করতে পারে নাই। ভেবে পাচ্ছেনা কারে দিয়ে নৈরাজ্য করা যাবে। তাই ঘন ঘন তিনার আস্থার বদল হচ্ছে। আগে একজন ছিলো শ্নেহভাজন তারে দিয়ে চলছিলো। এখন জায়গা ঘটিত কারনে অন্যজনেরে ব্যাানার দেখলাম। বর্তমানে দেখছি নতুন নেতার আমদানী। মাঝে মাঝে বলেন হুজুরের সংগে কেউ পারবেনা। হায় হায় একজনের টাকাও গেলো আস্থাও গেলো। তিনা এখন আবার অন্য আরেকজনকে নিয়ে আস্থা আস্থা খেলা করছে এবং শেষে আমদানী। আরেক আস্খাভাজনকে সুবিধা দেয়ার জন্য কি এই আমদানী। দেখি নব্য নেতা মনোনয়ন পায় কিনা। তাকে দিয়ে গম, চাল ভালো বিক্রি করা যাবে কাজ না করে।

টৈইটংঃ
…………
পাহাড় বেষ্টিত ইউনিয়ন হচ্ছে টৈইটং। সেখানে কিন্তু তিনার আস্থা ঠিক আছে। তবে একটু বেকায়দায়। পাহাড়ের জায়গা দখল, মাটি ব্যাবসা, কাঠ ব্যাবসা এসব থেকে টাকাতো তিনার কাছে যেতেই হবে। তাই আস্থা ঠিক আছে। হতদরিদ্র মানুষের সরকারী ত্রাণের চাল চুরি করলেও কোনো অপরাধ নেই এমন কি দল থেকে বহিষ্কার করলেও অপরাধ নেই। কারণ টাকাতো ঠিকই তিনার কাছে আসবে। তিনার আস্থাভাজন কিন্তু একজন দক্ষ ক্যাশিয়ার এবং আকামের জনক। মনুষ্যত্বের অবমাননা কারি মিথ্যা মামলার হোতা দা বাহিনীর প্রধানই তিনার আস্থাভাজন শ্নেহভাজন হিসাবে বেচে নিয়েছে।

শিলখালীঃ-
……………
অনেক অাগে থেকেই শিলখালীতে
আস্থা বিক্রি হয়ে গেছে। ভিন্ন দলের চেয়ারম্যান হলেও কি হবে টাকার বান্ডিল ঠিকই তিনার বরাবরে পৌঁছে দিতে জানে। তিনার দলের লোকজন নিয়ে শুধু
তাইরে নাইরে খেলা হবে আস্থা কিন্তু টাকার দিকে। তাই শিলখালীতে আস্থার প্রতীক স্থির।

সদর পেকুয়াঃ-
……………….
তিনা একটু বেকায়দায় পেকুয়া সদর নিয়ে। তবে কায়দা করে ফেলবেন। আস্থার ১নম্বরে যিনি আছেন তাকে কিন্তু জনগণ খায়না। কারন তিনি অনেক মানুষের সামনে একা খেতে পারেন। হঠাৎ চোখ উল্টাতে জানেন। কোনো মানুষকে ইজ্জত দিতে জানেননা। ইদানিং আস্থার বলে বিচার বানিজ্য, মামলা বানিজ্য, দখল বানিজ্যে নেমেছেন। একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন পেকুয়াকে ভেজে খাওয়ার জন্য একজন ( জনপ্রতিনিধি) কে কাছে টেনেছেন, মনে হয় অভিনয়! যাক এই দুই পরিবার ঠিকই আকামে লিপ্ত। তৃতীয় জন দ্বা জামানত হারাতে হবে। আমরা ঠিকই জানি আপনার আস্থা টাকার দিকে। শেষে মোটা অংখের টাকা নিয়ে দলের লোকজনকে কি বাকল ধরিয়ে দিবেন। আপনি যখন ঐক্যবদ্ধ করতে জানেননা দল আপনার কাছে নিরাপদ নয়। এখন দেখছি আপনার আস্থাভাজন ছাত্র নেতা, যুবনেতা, শ্রমিক নেতা আকামে লিপ্ত। আসলে কপালই খারাপ আপনার আস্থা পেলে বকে যায় কেনো? কোন মন্ত্রে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category