• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে’র মুক্তি ও প্রতিমা ভাঙচুর, নির্যাতনের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন বিক্ষোভ চকরিয়ায় সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠন হস্তশিল্প পরিবারের বর্ষপূর্তি পালিত খুটাখালী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক মিটু আনোয়ারায় ১৫০০পিস ইয়াবাসহ আটক-৩ ট্রাফিক পুলিশের ওপর বিরক্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন নাটোরের সিংড়ায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে! সিংড়ায় এএসআই সানোয়ার কর্তৃক ব্যবসায়ী কে মারপিটের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন মানবিক কর্মকর্তা গোলদার শাহবাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিআরসি প্রধানের আলোচনা আরো রাশিয়ান এস-৪০০ কিনবে তুরস্ক : এরদোগান

নারায়ণগঞ্জে বৃহৎ মাদক বস্তি উচ্ছেদ করলো পুলিশ

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা / ৩৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে অবস্থিত আলোচিত চাঁদমারী বস্তি অবশেষে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তিটি শহরের সবচে বড় মাদকস্পট হিসেবে পরিচিত ছিল। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলমের নেতৃত্বে ভেকু দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

পরে দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন এসপি।

এর আগে ৯ মে নারায়ণগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় চাঁনমারী বস্তি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জেলা প্রশাসনের দেয়া আল্টিমেটামের মধ্যেই মঙ্গলবার থেকে অনেকে স্বেচ্ছায় নিজেদের ঘর সরিয়ে নেয়। বৃহস্পতিবার বাকি ঘরগুলোও ভেকু দিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ শতাধিক ঘর ছিল এই চানমারী বস্তিতে। এখানে শীষ দিয়ে মাদক বিক্রি প্রচলিত ছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ বস্তিতে কয়েক যুগ ধরেই মাদক ব্যবসা চলছিল। প্রায়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও হতো। তবে শত প্রচেষ্টার পরও রহস্যজনক কারণে বন্ধ হয়নি বস্তিকে ঘিরে মাদক ব্যবসা।

উচ্ছেদ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসপি জায়েদুল আলম বলেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো মাদকের স্পট, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান হবে না। কেউ মাদক নিয়ে কোনো ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনি সচেতন হোন।

এসপি বলেন, এই চাঁদমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক কারবারিদের গ্রেফতার, সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মতো ঘটনাও এখানে ঘটেছে। মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২০০ শতাংশ জমি এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন, যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে।

জানা যায়, এই ২০০ শতাংশ জমির দাম প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই জমিটি প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখে এখানে মাদক বিক্রেতাদের ভাড়া দিয়ে তাদেরকে দিয়ে মাদকের কারবার করাতেন। এখন এটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category