• বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পেকুয়ায় দুই হাজতি মেম্বার নির্বাচিত এবারে দুই নারীসহ আমিরাত থেকে ২৬ জন প্রবাসী সিআইপির মর্যাদা পেয়েছেন সাবেক সাংসদ শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন, পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কবি হিমেল বরকত’র সাহিত্যে বিপন্ন মানুষের কন্ঠস্বর ঠাঁই পেয়েছে নির্বাচনী সহিংসতা: পেকুয়ায় আ’লীগ নেতার বসতবাড়ি ভাংচুর চকোবি হোস্টেলের সমাপনি ক্লাস আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন ঠাকুরগাঁও নির্বাচন সহিংসতায় বিজিবি’র গুলিতে নিহত ৩ আহত ৫ ঠাকুরগাঁওয়ে তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ১৪টি নৌকা ৪টি সতন্ত্র প্রার্থীর জয়লাভ সাবেক সাংসদ এডভোকেট শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আর নেই টেকনাফ সমিতি ইউএই’র বার্ষিক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা’২১ অনুষ্ঠিত

নির্বাচনী ভাবনা এবং উজানটিয়া ইউনিয়ন

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ৮৭ Time View
Update : শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১

সাইফুল ইসলাম বাবুল

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২১ সন্নিকটে ২৮ শে নভেম্বর, উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন পত্র দাখিল, বাছায়,প্রতীক বিতরণ, প্রত্যাহার পর্ব শেষ খেলা চূড়ান্ত পর্বে চলছে। নির্বাচনী ভাবনার কিস্তি ওয়ারী বিষয় গুলোর দিকে আলোকপাত করছি।

এবারের কিস্তি উজানটিয়া ইউনিয়ন। বরাবরের মত মুখ কথা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। আপাতত অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচন দেখে মনে হয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। হবেই না কেন? স্থানীয় নির্বাচন দিয়ে সরকার পরিবর্তনোই তিবাচক হয় না। তবে পূর্বের ন্যায় গতানুগতিক প্রথার বাইরে এসে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। তবে বাংলাদেশর টেস্ট কেইচ।গতবারের ন্যায় এভারও হচ্ছে। তবে কেউ কেউ কৌশল পাল্টে নিচ্ছে।

সংরক্ষিত ও সাধারন সদস্য পদে দলীয় প্রতীক নেই তাই এই পদগুলো আপাতত নিরপেক্ষ। চেয়ারম্যান পদ পুরোটাই দলীয়। বিএনপি সরকারের কৌশলকে ভিন্ন ভাবে দেখছে তাই তারা দলীয় প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিন্ন প্রতীকে নির্বাচনে অবতীর্ণ। ভোট ব্যাংকের বিএনপির একটা সক্ত অবস্থান আছে।তবে বিএনপি প্রার্থীকে শক্ত ইমেজ নিয়ে দাড়াতে হবে। দলীয় লোক জনদেরকে সক্রিয় করতে হবে।যদি সক্রিয় করতে না পারেন তবে আশংকা আছে নির্বাচনী খাল পার হতে।

বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এমজারুল তার মার্কা আনারস । যারা ধানের শীষে ভোট দিত তারা আনারসের প্রাতি কতটুকু যুকবে প্রশ্ন সাপেক্ষ এর বাইরে অন্য হিসাব নিকাশ তো আছেই। উজান টিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সর্বক্ষন আলোচনায় আছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল করিম চশমা প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী। সমান তালে প্রচারনা এসে একে অন্যকে বাক্যবানে জর্জরীত করছেন।

তোফাজ্জল করিমের জনসভায় শুনা যায় বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকার প্রার্থী হিসেবে ব্যার্থ।এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়ন হয়নাই, দলীয় লোকদের অবহেলা করেছেন, তার ব্যবহার অত্যান্ত খারাপ, তার নাকি ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে একবার চেয়ারম্যান হওয়ার প্রয়োজন ছিল। তিনি অনেকের জন্য অনেক কিছু করেছেন। চেয়ারম্যান নাকি খাল দখল করে খায়, নিজ পছন্দসই লোকদের ত্রাণ দেন। প্রতি বছর উজানটিয়া প্লাবিত হয় তার অভিজাত বংশীয় লোকজন নাকি সাধারণ ঘরের মানুষের ছেলেদের নেতা হতে দিবেনা। চেয়ারম্যান নাকি দলীয় মনোনয়ন হাইজ্যাক করেছে। টাকার খেলা খেলেছেন। হয়ত অনাগত দিনে আরোও কিছু বলতে পারেন।

নৌকার জনসভায় বক্তারা বলেন , ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে তার একটা কোটা থাকত। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই কোটা শুধু আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিলি হত। একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের গরু দেওয়ার নামে অর্ধেক টাকা নিয়ে নিতেন।রেড ক্রিসেন্টের রিলিফ দেবার টাকা আত্মসাৎ করেছেন, অর্ধেক টাকা নিয়ে নিতেন। নাশকতা মামলায় বানিজ্য করে কোটি টাকা ইমকাম করেছেন। উজানটিয়ার দল করেনা এমন অনেক লোকজন ও তার প্রতিহিংসার স্বীকার। একজন প্রশ্ন করেন রাহামত উল্লাহ তার ক্লাশমেট,রাজনীতি করেনা শত্রুতা করে তাকে জেল খাটিয়েছেন। তার নেতৃত্বে চকরিয়ায় বসে মামলা সাজানো হত। ডেকে ডেকে টাকা নিত এখনো অনেক মানুষ ডরে ভয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলছেনা। সে নাকি বলে বেড়াচ্ছে সে শেখ হাসিনার প্রার্থী নয় এমপি জাফর আলমের প্রার্থী। তার কাছে বিচার এলে সোজা থানায় নিয়ে আসত হয় মাল ঢাল নয় জেলে যাও। কমিউনিটি পুলিশের সেক্রেটারী পদ তদবীর করে নিয়েছেন শুধু মামলা বানিজ্য করার জন্য। খাল চেয়ারম্যান দখল করে নাই করেছেন তিনি, চলাচলের খালের উপর বাঁধ-পল বোট দেয়া নাশি বন্ধ করে পশ্চিম উজানটয়াকে ডুবিয়ে মারা। শহিদ চেয়ারম্যান খাল লিজ নেয় আর উনি বিনা লিজে খায়। চেয়ারম্যানের কাছে অবৈধ দখলে নাই, আছে উনার কাছে।সভাপতির পদ ব্যাবহার করে ছেলে দিয়ে মানুষ বেইজ্জত করানো তার কাজ।খালে নেমে টাকা তুলে এবং ভাগ চকরিয়ায় চলে যায়। চেয়ারম্যান হবেন ঘর কোথায়? সরকারী জেলেদের অফিস দখল করে আছেন। উজানটিয়ায় খাবেন চকরিয়ায় ভরাবেন তাহলে উজানটিয়া কি ভাবে শাসিত হব। সুখে দুঃখে থাকতে হবে। নিজের ভাইয়ের শরিয়ত বিরোধী বিষয় তো এখনো বিচার করতে পারেন নাই উল্টো শ্বশুর দেশ ছাড়া। সভাপতির ক্ষমতায় ষাট দোনিয়ায় ছব্বির গোষ্ঠীর খাস কেড়ে নিয়ে কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন। আপনি সাধারণ নন অসাধারণ, এস আলমের জমি নিয়ে মানুষকে শোষন করেছেন, অনেকে এখনো টাকা পায় নাই।আপনি কি এমন বানিজ্য করেছেন চকরিয়া পৌরসভায় দুইটি দালান, ৪০ লক্ষ টাকার গাড়ি। শুনেছি ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বারও ৬ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।

তিনি আরও বলেন, উজানটিয়া উপকূলীয় সমিতির ৪০০ জনের হর্তাকর্তা আপনি, আপনাকে বিশ্বাস করেছিল সবাই কিন্তু এখনো ১৫ লক্ষ টাকার হিসাব চাইবার কেউ নেই।বেনামী দরখাস্ত দুদকে তদবীর সবই আপনার কাজ।আপনি ৪০ বছর আওয়ামী লীগ করেছেন তবে বুনিয়াদী আওয়ামী লীগ পরিবার গুলোকে ধ্বংস করেছেন। তাদের পরিবার থেকে কেউ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য ও হতে পারেনাই আপনার জন্য।চেয়ারম্যান হলে পিতা পুত্রের রাজত্বে উজানটিয়া তল পড়বে বলে আশংকা করছেন।

আমার মতে এগুলো পারস্পরিক প্রচারনা দেখা কে কতটুকু জনতার মন জয় করতে পারে। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের জনভীত মজবুত বলে মনে হয়না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category