• মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দেশে মাথাপিছু আয় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা ঠাকুরগাঁওয়ের আ’লীগ নেতার গোডাউনে ২৪০ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার, আটক-১ গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০০ চকরিয়ায় এসএসসি ব্যাচ’৯১ এর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন মোংলা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি ঘোষনা সভাপতি মোহন সাধারণ সম্পাদক দিদার চকরিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় মামলা তুলে নিতে আদর বাহিনীর হুমকি, জিডি করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ! মোংলায় করোনা মোকাবেলায় দুস্থদের চাল দিলেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার চকরিয়া পৌর এলাকায় কোচপাড়ায় পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা ঈদের দিনে ঠাকুরগাঁওয়ে সড়কে প্রাণ গেল তিনজনের সময়ের আগেই ঢাকায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল

পবিত্র রমজান ও নববর্ষে দেশবাসীকে বিএমএসএস নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা

ফরহাদুল ইসলাম,আনোয়ারা প্রতিনিধি / ৫৫ Time View
Update : বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজান ও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএমএসএস নেতৃবৃন্দ। মাহে রমজান এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) -এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান এবং মহাসচিব মো: সুমন সরদার সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। আজ বুধবার ১৪ এপ্রিল এক বিবৃতিতে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বিবৃতিতে- ‘আজ আবাহনের দিন। এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা—কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী এই গান গেয়ে আজ আমরা আবাহন করব নতুন বছরকে।
একই সঙ্গে শুরু হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানাই।’
পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। ‘আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুসঙ্গ। ব্যবসায়ীরা আগের বছরের দেনা-পাওনা আদায়ের জন্য আয়োজন করতেন হালখাতা উৎসবের। গ্রামীণ পরিবারগুলো মেলা থেকে সারা বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তৈজষপত্র কিনে রাখতেন। গৃহস্থ বাড়িতে সাধ্যমতো উন্নত মানের খাবার রান্না হতো।’
‘১৯৬০ এর দশকের শেষভাগে ঢাকায় নাগরিক পর্যায়ে ছায়ানটের উদ্যোগে সীমিত আকারে বর্ষবরণ শুরু হয়। স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে এই উৎসব নাগরিক জীবনে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। ১৯৮০ এর দশকে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক এবং গণতান্ত্রিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে।
কালক্রমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন শুধু আনন্দ-উল্লাসের উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী ধারক-বাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পয়লা বৈশাখ সঙ্কীর্ণতা, সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়। ‘আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।’
‘আজ শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের যে প্রান্তেই বাঙালি জনগোষ্ঠী বসবাস করেন, সেখানেই বাঙালির হাজার বছরের লোকসংস্কৃতির বিস্তার ঘটছে বর্ষবরণসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। আর পৃথিবী জুড়ে তৈরি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য সংস্কৃতির সেতুবন্ধ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category