• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও শীতের দাপটে ছিন্নমুল ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি গুয়াপঞ্চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন হাসানুর রশীদ চাতরী ইমাম হোসাইন (রাঃ) সুন্নী সমাজ কল্যাণ পরিষদের ১১তম মাহফিল সম্পন্ন বদরখালীতে চশমা প্রতীকের গণজোয়ার গণতন্ত্র সম্মেলনে দাওয়াত না পাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছু নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিটনের প্রথম টেস্ট শতক নাসিরনগরে সাপ আতংক নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেস ব্রিফিং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুকুল হোসেন পেকুয়ায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ উজানটিয়ায় জনসমুদ্র চশমার পথসভা, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শংকা

পেকুয়ায় জায়গা জবর দখল করে নিলেন প্রতিপক্ষের লোকজন, দুই পক্ষে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আশংকা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কৃষক ফরিদুল আলম গং ও সালাউদ্দিন গং এর দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় জায়গা জবর দখলে নিয়ে ঘর তৈরি করলেন প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় দুই পক্ষে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে স্থানীয়রা।

সোমবার (১২এপ্রিল) ভোরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়া ষ্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত মোজাফ্ফর আহমদের ছেলে ফরিদুল আলম ও মৃত আবু তাহেরের ছেলে সালাউদ্দিন বলেন, নন্দীর পাড়া স্টেশনে মোজাফ্ফর আহমদ গং এর নামে ৪০শতক ও আবু তাহের গং এর নামে ২০ শতক জায়গা রয়েছে। ওই জায়গায় আমরা দীর্ঘ ১০বছর আগে পাকা দেয়াল দিয়ে ঘেরাও দিয়ে ভোগদখল করে আসছি। ওই ভোগদখলীয় জমি নিয়ে আহমদ হোসেন বেঁচে থাকা অবস্থায় এ জমি নিয়ে বিরোধ করে আসছিল। যার কারণে আমরা বিজ্ঞ আদালতের ধারস্ত হয়। আহমদ হোসেন মারা যাওয়ার পর তার ছেলে মোস্তাফা কামাল, নুর মুহাম্মদ, কিচমত আলী, জয়নাল করিম ও জয়নাল আবদীনসহ আরো কয়েকজন বিরোধের জের ধরে জমি জবর দখল চক্রান্ত করে আসছিল।

এমনকি বিগত ১৯৮৫ সালে তাদের পিতা আহমদ হোসেন রেজিষ্ট্রী কবলামুলে জায়গা বিক্রয় করে এবং দখলও হস্তান্তর করেন। জায়গা বিক্রি করার পর তারা জায়গা দাবী করে একটি কবলা উপস্থাপন করেন (যার নং ১৪৪৩/৭২ ইং)। তা জাল দলিল দাবী করে ফরিদুল আলম গং মামলা দায়ের করলে যা বিজ্ঞ আমলি আদালত চকরিয়া কক্সবাজার জেলা রেজিষ্ট্রারকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পেশ করার নির্দেশনা দেন। আদেশ পেয়ে জেলা রেজিষ্ট্রার তদন্তে তাদের উপস্থাপিত কবলা জালিয়াতি করে সৃজিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা দলিলপত্র পর্যালোচনা শেষে ১৪৪৩নং কবলাটি জালিয়াত ও সৃজিত খতিয়ান বাতিলের সুপারিশ করে প্রতিবেদন পেশ করেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানী শেষে তাদের উপস্থাপিত ১৪৪৩ নং কবলাটি জালিয়াত ও সৃজিত জমাভাগ খতিয়ান বাতিলের নির্দেশ দিয়ে রায় প্রচার করেন।

ফরিদুল আলম আরো বলেন, দলিল হিসাবে প্রমাণ হওয়ার পর তারা বেপরোয়া হয়ে জবর দখল চেষ্টা শুরু করে। একপর্যায়ে গতকাল ভোরে ভাড়াটি সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের পাকা দেয়াল দেয়া জমিটি টিন মেরে জবর দখল করে নেয়। আমরা বাধা দিতে গেলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বাকি জায়গাও জবর দখল করে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। এমন কি হত্যার মত ঘটনা ঘটাবেও হুমকি পাচ্ছি। নিরুপায় হয়ে থানা প্রশাসনে অভিযোগ দিতে গিয়েছিলাম। আদালতের আশ্রয় নিতে বলে অভিযোগখানা ফেরত দিয়েছেন। জায়গায় স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞ আদালতে ধারস্ত হচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category