• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে’র মুক্তি ও প্রতিমা ভাঙচুর, নির্যাতনের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন বিক্ষোভ চকরিয়ায় সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠন হস্তশিল্প পরিবারের বর্ষপূর্তি পালিত খুটাখালী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক মিটু আনোয়ারায় ১৫০০পিস ইয়াবাসহ আটক-৩ ট্রাফিক পুলিশের ওপর বিরক্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন নাটোরের সিংড়ায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে! সিংড়ায় এএসআই সানোয়ার কর্তৃক ব্যবসায়ী কে মারপিটের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন মানবিক কর্মকর্তা গোলদার শাহবাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিআরসি প্রধানের আলোচনা আরো রাশিয়ান এস-৪০০ কিনবে তুরস্ক : এরদোগান

পেকুয়ায় নারীর মামলায় মাদ্রাসা সুপার কারাগারে

পেকুয়া প্রতিনিধি: / ৯২ Time View
Update : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

পেকুয়ায় নারীর মামলায় কারাগারে গেছেন এক মাদ্রাসার সুপার। মারপিটের ঘটনায় মাদ্রাসা ওই সুপারকে ১ নং আসামী করা হয়। ওই মামলায় বিচারিক আদালত তাকে জামিন না মঞ্জুর করেন। জেলে যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম মাওলানা ছাবের আহমদ (৪৫)। তিনি টইটং বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও টইটং পশ্চিম নাপিতখালী সিকদারপাড়ার মৃত মনছুর আলীর ছেলে। গত ১ সপ্তাহ আগে থেকে তিনি কারান্তরীন রয়েছেন। মামলা ও স্থানীয় সুত্র জানায়, গত ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর টইটং ইউনিয়নের পশ্চিম নাপিতখালী কাদিরপাড়ায় মারপিটের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। জায়গা জমির বিরোধের জের ধরে কাদিরিয়াপাড়ার আবুল কাশেম গং ও সিকদারপাড়ার মৃত মনছুর আলীর ছেলে ছাবের আহমদ গংদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় আবুল কাসেম গংদের ৩ নারীসহ ৪ জনকে জখম করা হয়। ওই ঘটনায় আবুল কাসেমের মেয়ে রোকেয়া বেগম (৩৫) বাদী হয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নালিশি অভিযোগ পৌছান। আদালত সেটি আমলে নেন। পেকুয়া থানা পুলিশকে এর তদন্তভার ন্যস্ত করা হয়েছে। পুলিশ আদালতে তদন্তীয় প্রতিবেদন পৌছান। যার সিআর নং ১৩১/২০ ইং। মামলায় টইটং শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ছাবের আহমদকে ১ নং আসামীসহ ৫ জনকে নাম উল্লেখিত আসামী করা হয়। গত ১ সপ্তাহ আগে মামলার ১ নং বিবাদী ছাবের আহমদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিচারিক আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করেন। এ সময় তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। এ দিকে মামলা ও জায়গার সংঘটিত বিষয় নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। মামলার বাদী নাপিতখালী কাদিরপাড়ার আবুল কাসেমের মেয়ে রোকেয়া বেগম জানান, ২০ শতক জায়গা নিয়ে মাও: ছাবের আহমদ ও আমার পিতার মধ্যে বিরোধ চলছিল। পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করতে ছাবের আহমদ পেশী শক্তি নিয়ে আমাদের জমিতে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় জমির দখল ঠেকিয়ে দিতে গিয়ে তারা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমার বাবাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আমি ও আমার ২ বোন আফিয়া ও আয়েশা বেগম এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমাকে পিটিয়ে জখম করে। আমরা হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। ছাবের আহমদ ১ সপ্তাহ আগে কোর্টে জামিন নিতে গিয়েছিলেন। বিচারিক আদালত তাকে জামিন দেননি। তিনি এখন জেল হাজতে রয়েছেন। তবে ওই ব্যক্তি জেলে যাওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় দফা আমাদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন ফের শুরু হয়েছে। মামলার অপর আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে এখন আমিসহ পরিবারের সকল সদস্যকে নানা ধরনের হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। পথে ঘাটে আসামীরা আমাদেরকে হামলার জন্য উৎপেতে রয়েছে। অপরদিকে ছাবের আহমদ গংদের দাবী এ মামলা ও মারামারির ঘটনা মিথ্যা। একজন মাদ্রাসার সুপারকে কাল্পনিক ঘটনা ও অতিরঞ্জিত তথ্যের বিভ্রাট ঘটিয়ে একজন মাদ্রাসা সুপারকে হয়রানি করা হচ্ছে। ছাবের আহমদের ছেলে মোস্তাকিম জানান, আমার পিতা একজন শিক্ষিত মানুষ। তাকে অপবাদ জড়িয়ে মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয়েছে। আমরা কাউকে হুমকি ধমকি দিচ্ছিনা।
.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category