• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

পেকুয়ায় লবণ মাঠ জবর দখলে নিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শংকা

পেকুয়া প্রতিনিধি / ১০০ Time View
Update : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

পেকুয়ায় ১২০ শতক লবণ মাঠের জমি জবর দখলে নিতে আধিপত্য দেখা দিয়েছে। জবর দখলকে কেন্দ্র করে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে করে উভয়পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মারপিটসহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ২৭ নভেম্বর (শুক্রবার) সকালে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড মগঘোনা বিলে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, ১২০ শতক জমি নিয়ে বিরোধের সুত্রপাত হয়। মগনামা মৌজার বিএস ৮১৪ নং খতিয়ান থেকে পৃথক ৫ টি দলিল মূলে জমি বিক্রি করা হয়। মগনামার সিকদার বাড়ির মৃত মোক্তার আহমদ চৌধুরী ওই জমির রেকর্ডীয় মালিক। তিনি মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশগন পৃথক কবলামূলে জমি রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করেন। ২০১১ সাল থেকে ১২০ শতক জমি পৃথক দলিল ও পৃথক সময়ে কবলা সম্পদিত হয়। মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা গ্রামের শামশুল আলমের পুত্র সাইফুল ইসলাম, তার ভাই নেছারুল ইসলাম, আবু তাহেরের ছেলে নজরুল ইসলাম, ছৈয়দ রাশেদুল ইসলাম, মৃত নুরুল আলমের ছেলে মনিরুল ইসলাম, একই গ্রামের জোবাইদুল হকের স্ত্রী কাজল রেখা, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সুতাবেপারীপাড়ার আবদুল কাদেরের পুত্র আব্বাছ উদ্দিনসহ ৭ জন ব্যক্তি ওই জমি ক্রয় করে। জমিতে ভোগ দখলসহ খরিদ স্বত্তের মালিকদের অনুকুলে পৃথক জমাভাগ খতিয়ানও সৃজিত আছে। সুত্র জানায়, সম্প্রতি ওই জমি জবর দখলে নিতে একটি পক্ষ দৌড়ঝাপ করছে। তবে জমির দিয়ারা রেকর্ড ও এর নিস্পত্তির জন্য কক্সবাজারে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি অপর মামলা রুজু করা হয়েছে। যার নং ৩৮২/১৯। ওই মামলায় দিয়ারা রেকর্ড সংশোধনী ও নিস্পত্তির জন্য মগনামার মরিচ্যা দিয়া গ্রামের ফরিদ আহমদের ছেলে শের আলী, মেহের আলী, মৃত মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম, মেয়ে তানজিনা আলী, নাশিদা আলী, নওশনি আলীসহ আরও একাধিক ব্যক্তিকে বিবাদী করে। এ ছাড়া রেকর্ড নিস্পত্তির জন্য রাষ্ট্রপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে। সুত্র জানায়, মামলাটি বিচারাধীন। বিচারিক আদালত চার দফা শুনানী নিস্পত্তি করেন। এ দিকে ওই জমি জবর দখলে নিতে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। খরিদ স্বত্তের মালিক জোবাইদুল হকের স্ত্রী কাজল রেখা জানান, জমিতে লবণ চাষ শুরু হচ্ছে। এতে করে একপক্ষের ভাড়াটে লোকজন জড়ো হয়ে দেশীয় তৈরী অস্ত্র স্বস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জমি দখলে চেষ্টা চলছে। ওই নারী আরও জানান, মগঘোনার মৃত ফেরদৌস আহমদের ছেলে মহিউদ্দিনসহ তার অনুগত আরও কয়েকজন জমি দখলের তৎপরতায় লিপ্ত। সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রিনা আক্তার বলেন, হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমরা কেনার পর থেকে জমি শান্তিপূর্নভাবে ভোগ করছি। খরিদ মালিক নেছারুল ইসলাম জানান, এখানে মহিউদ্দিনের কোন স্বত্ত নেই। সে ভাড়াটে হিসেবে যাচ্ছে। রেকর্ড নিস্পত্তি করবে আদালত। এর আগে তারা রক্তপাত ঘটানোর পরিকল্পনায় ব্যস্ত। নজরুল ইসলাম জানান, এ জমি আমরা সন সন ভোগ করছি। লবণ উৎপাদন করছি। কিন্তু আদালতকে অমান্য করে ভাড়াটে পক্ষ জমিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category