• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৮ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় ৩ দিন ধরে গৃহবধূ শাকি নিখোঁজ

পেকুয়া প্রতিনিধি / ৪৮৪ Time View
Update : শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১

পেকুয়ায় ৩ দিন ধরে ইনসাদ নাঈমা শাকি (১৮) নামের একজন নারী নিখোঁজ রয়েছে। চিকিৎসা করতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর ৩ দিন ধরে ওই নারী এখনো স্বামীর সংসারে ফিরেনি। নিখোঁজ স্থান চকরিয়া পৌর এলাকায় হওয়ায় ওই নারীর স্বামী চকরিয়া থানায় সাধারন ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেন। ২৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টার পর থেকে ওই গৃহবধূর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা গ্রামের ওসমান গণির স্ত্রী। নিখোঁজ ডায়েরীর আর্জিমতে ও স্থানীয় সুত্র জানান, ওই দিন সকালে ওসমান গণির স্ত্রী ইনসাদ নাঈমা শাকি চকরিয়া যাওয়ার জন্য শাশুড় বাড়ি থেকে বের হন। চকরিয়া পৌরসভার হাসপাতাল রোডে সেভরন ক্লিনিকের পাশের্^ মডার্ণ ডেন্টাল কিউর নামক ক্লিনিকে শাকি কয়েকবার গিয়ে দন্ত চিকিৎসা করেন। ওই দিনও দন্ত চিকিৎসা নিতে ওই প্রতিষ্টানে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন। সঙ্গে শাকি ও তার ভাসুরের স্ত্রী ফারহানাও চিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে গিয়েছিলেন। বাড়ি ফেরার সময় দেবরের স্ত্রী ও ফারহানা পেকুয়ার দিকে ফিরবেন ওই সুবাধে শাকিকে ফোন দেন। কিন্তু মুঠোফোন বন্ধ থাকায় ফারহানা বাড়িতে ফিরেন। এরপর থেকে ইনসাদ সাঈমা শাকিকে আর পাওয়া যাচ্ছেনা। সুত্র জানায়, গত বছরের ৮ নভেম্বর মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো: ওসমান গণি ও চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বিবিরখীল উত্তরপাড়ার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে ইনসাদ নাঈমা শাকির বিবাহ হয়েছে। এ ব্যাপারে ওসমান গণি জানান, আমার বড় ভাই আবদুল মোনাফের স্ত্রী ফারহানা ও শাকি চিকিৎসার জন্য মগনামা থেকে চকরিয়া গিয়েছিল। ফারহানা এসেছে কিন্তু আমার স্ত্রী শাকি আসেনি। ৩ দিন ধরে খোঁজ নিচ্ছি। তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি চকরিয়া থানায় সাধারন ডায়েরী করেছি। যার নং ১২১০/২১। মেয়ের পিতা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমিও খোঁজ খবর নিচ্ছি। চকরিয়ায় গিয়ে ক্লিনিকের সিসি ক্যামরার ভিডিও ফুটেজও চাওয়া হয়েছে। ভাসুর আবদুল খালেক জানান, আমরা বিষয়টি শাকির বাবা মাকে বলেছি। আসলে অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। ওসমানের বড় ভাবী ফারহানা জানান, আমরা ২ জনই সিএনজি করে চকরিয়া গিয়েছিলাম। আমি সোসাইটির হাসপাতাল সড়কে তাকে নামিয়ে দিই। আমি চলে যায় ডুলাহাজারা হাসপাতালে। যাওয়ার সময় আমার মোবাইলটি তাকে দিয়ে গিয়েছিলাম যোগাাযোগের জন্য। পরে ফোন দিলে আর পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category