• শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনসহ নিহত ৭ চকরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উল্টে খাদে, ১৩ যাত্রী আহত সিংড়ার চৌগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান ভোলা’র নির্বাচনী উঠান বৈঠক ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল হাসপাতালে ডায়রিয়া ২ শিশুর মৃত্যু চকরিয়ায় মন্দিরে হামলার ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখপূর্বক আসামী ৩০০ জন নানা আয়োজনে রুদ্রের জন্মবার্ষিকী পালন ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈলে বিশ্বখাদ্য দিবস পালন ও ইঁদুর নিধন অভিযান এর উদ্বোধন পেকুয়ায় দোকানঘর থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে আ’লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা

পেঠ খালি রেখে মানুষকে আইন মানানো অযৌক্তিক!

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ১০৭ Time View
Update : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

মোঃ ফোরকান উদ্দিন

আগামী ১জুলাই’২১ থেকে দেশ আবার কঠোর লকডাউন, শাটডাউনে যাচ্ছে। দেশের মানুষকে বাচাঁনোর জন্য জন্য যদি এই সিদ্ধান্ত, তাহলে অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার সরকার মহোদয়। তবে মানুষ বা জনগণকে বাচাঁতে প্রকৃতিগতভাবে যে শর্ত প্রযোজ্য তা বাস্তবায়ন বা জনগণের দুর্ভোগ লাগবে ব্যবস্থা না নিয়ে এ ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত জনগণের দুর্ভোগ বাড়বে বৈ কমবে না। পেঠ খালি রেখে মানুষকে আইন মানানো অযৌক্তিক।

ইতিমধ্যে করোনায় নানা বিধি নিষেধ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের কোমর ভেঙ্গে গেছে, সোজা হয়ে দাঁড়ানোর মতো কোন পরিস্থিতি তাদের সামনে অনুপস্থিত। এমতবস্থায় আবার যদি লকডাউন, শাটডাউন আসে তা সত্যি হতাশাজনক। দেশে করোনাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, বলতে গেলে প্রকৃতিও একপ্রকার আমাদের প্রতি চরম প্রতিশোধ নিতে সংকল্পবদ্ধ। বিশ্ব করোনা মোকাবেলায় একমাত্র কার্যকরী প্রতিশেধক হচ্ছে ভ্যাক্সিন। মাননীয় সরকার মহোদয়কে সেই দিকে নজর দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাক্সিন সংগ্রহের ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। দিনের পর দিন মাসের পর মাস লকডাউন দিয়ে দেশ ও জনগণ যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সে পরিমাণ অর্থ দিয়ে সবার ভাগ্যে করোনার ভ্যাক্সিন বরাদ্ধ বা সংগ্রহ করা যায় কিনা চিন্তা করা উচিৎ।

প্রয়োজনে ভিন্ন দেশের সাহায্য বা দয়ার উপর নির্ভরশীল না হয়ে জনগণ থেকে ভ্যাক্সিনের মুল্য আদায় করা যেতে পারে। জনগণ যদি ভ্যাক্সিন নিয়ে কর্মক্ষমতা ফিরে পায় নিজেরা কাজ কর্ম ব্যবসা বাণিজ্য চাকরী অফিস আদালতে ফিরতে পারে সে ক্ষেত্রে প্রতিটা মানুষ সাআনন্দে ভ্যাক্সিনের মুল্য পরিশোধে রাজী হবে বলে আমার বিশ্বাস।

আমেরিকাতে শতভাগ ভ্যাক্সিনাইজেশনের পর শতভাগ আর্থিক প্রতিষ্টান খুলে দেওয়া হয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। করোনা নিরাময়ে একমাত্র ভ্যাক্সিনই যেহেতু সমাধান সেক্ষেত্রে তার উপরই একমাত্র জোর দেওয়া উচিৎ। আমরা আস্তে আস্তে যদি আর্থিকভাবে পঙ্গুত্বের দিকে চলে যায় তখন হয়ত এমন একটা সময় আসবে ভ্যাক্সিন সংগ্রহেও সমস্যার সম্মুখীন হতে বাধ্য হবো।

সুতরাং যত তাড়াডাড়ি সম্ভব একশোভাগ ভ্যাক্সিনেশন নিশ্চিত করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যা করনীয় তার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্যথায় মানুষ করোনায়তো মরবেই পাশাপাশি দুর্ভিক্ষেও মরবে। জনগণকে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া এবং লকডাউন শাটডাউন এর বিকল্প চিন্তা করা দরকার। পাশাপাশি আমাদের চিন্তা করাও করোনার মালিকের প্রতি বশ্যতা স্বীকার তার দরবারে অশ্রুনয়নে ক্ষমা চাওয়া, অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা ছোট বড় মাঝারি সব ধরনের বিপদ আপদ থেকে একমাত্র রক্ষাকারী মহান আল্লাহ, তার নিকট তওবা করে সাহায্য চাওয়া। অথচ আমরা সেই দিকে নজর না দিয়ে লকডাউন শাটডাউনের উপর নির্ভর করে পার পেতে চাচ্ছি, আমার কেন জানি মনে হচ্ছে এটা আমরা চরম ভুল ও আল্লাহর সাহায্য লাভে বিকল্প পন্থা আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাশের ব্যঘাত ঘটাচ্ছি।

আসুন আমরা একমাত্র আল্লাহর সাহায্য কামনা করি নিশ্চয় তিনি তার বান্দাদের প্রতি রহমত নাজিল করবেন। পাশাপাশি ভ্যাক্সিনের জন্য যত কিছু তদবির দরকার তার চেষ্টা চালিয়ে যাই। আল্লাহ রোগ দিয়েছেন তিনি তার সিকিৎসা ও দিয়েছেন, আশাকরি আল্লাহর উপর ভরসা করে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থা নিলে আমরা কামিয়াব হবো।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category