• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

মনে প্রানে বিশ্বাস করবো “সবার উপরে মানুষ সত্য”

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১

সাইফুল ইসলাম বাবুল

পেকুয়াকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে বাধা আছে বলে মনে করি না। তবে অনেক সময় আমাদের নগণ্য মানুষের স্বপ্ন অধরা থেকে যায়। তবু ইচ্ছার দড়ি ছিঁড়ে যায় যদি বাস্তবায়ন হয়। মহাসুখে অামরাবতী হয়তো হবেনা। তবে সুখ দুঃখ মিশ্রিতো একটি স্বাভাবিক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারি।যেখানে থাকবে সৌহার্দ , বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা, নিরাপদ চলাচল, খেয়ে ও পরে বেঁচে থাকার অবস্থা। মানুষ দুঃখী জনের পাশে দাঁড়াবে, ভালোদের শ্রদ্ধা করবে, দূর্জন ত্যাজ্য হবে, মা-বাবার সন্তান থাকবে, বন্ধুত্বে আবদ্ধ থাকবে বন্ধু। ভাইয়ের ভাই থাকবে, নেতৃত্বে সৎ যোগ্য লোক থাকবে, ন্যায্যতা প্রতিরোধী কর্মী থাকবে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন থাকবে, থাকবে মানসিক উন্নতি, মিথ্যা ত্যাগেরমনোবৃত্তি, স্বার্থ থাকবে, তবে লোভ নয়,আমি নয় আমরা থাকবো, কৃষক হাসবে, শ্রমিক হাসবে, মা হাসবে, বোন হাসবে, ভাই হাসবে, যদি কখনো কান্না পায় তবে জানতে চাইবো কাঁদছো কেনো?

তিন লাখ লোক অধ্যুষিত এই পেকুয়া উপজেলা। একসময়কার কৃতি সন্তান কি চেয়েছিলো এমনতর উপজেলা ? ছোট মুখে বড় কথা মানায় না, তবুও বলছি একজন নেতার সঠিক রাজনীতি উত্তরাধিকার থাকা চাই। যদি কখনো বংশানুক্রমিক চিন্তা আসে তবে ছন্দ পতন হয়। কারণ বংশে রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করার লোক হয়তো থাকে না। তাই বংশের বাইরে যাদের দায়িত্ব দেখা হয় তাদের হতে হবে সঠিক। এখন দেখছি সম্পদের পাহাড় গড়ায় ব্যস্ত তারা। তাদের সে অভ্যাস এখন চারিদিকে সঞ্চলিত। টকা চাই, সম্পদ চাই, চাইতে গেলে অনাকাংখিত কাজ হোক ক্ষতি নাই। এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে এই হচ্ছে আজকের ধারণা। সব ঠিক হবে, শুধুমাত্র ঠিক হবে না মানুষের মন। তাই কেউ ক্ষোভ নিয়ে থাকবে। কেউ নীরবে ফুরিয়ে যাবে। আবার হয়তো কারো নবজন্ম হবে মস্ত বড় সন্ত্রাসী হিসেবে। তখন কিন্তু কেউ নিরাপদ নই।

হে গুটিকতেক’! আপনারা কি পেকুয়াকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করবেন, নাকি তাদের সহযোগিতা যোগাবেন। ক্ষতি নেই একগুচ্ছ মন্দ লোক সৃষ্টি করে টিস্যু পেপারের মতো ব্যবহার করতে পারবেন। হয়তো আপনাদের মসনদী সময় দীর্ঘায়াতো হবে। একটু ভাবুন আপনার পরবর্তী প্রজন্ম কি করবে। কালিমা বেষ্টিতো থাকতে থাকতে আপনারাও কালো হয়ে গেছেন। আমরা ভুল করে দোষ করে আপনাদের গড়ে তুলি, কিন্তু এখন দেখছি আপনারা ইতিহাসের হালাকু খান। আপনারা শাসন করবেন না, শোষণ করে চলে যাবেন।

একটু ভাবুন কোটি টাকা খরচ করে বানানো আপনার উচ্চ শিক্ষিত ছেলেটি যদি দেখে দুর্নীতির দায়ে পিতার পায়ে ডান্ডাবেড়ী তখন কি আপনার ইচ্ছা হবেনা মাটি ফাক করে ঢুকে থাকার।

হে দূদক, আপনারা একটু ফিরে দেখুন বৈধ ব্যবসা নেই, অতীতের সঞ্চয় নেই, তবে সে মস্ত বড় ইমারাতের মালিক কোটি টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স অথচ সভায় বক্তৃতার ফুলজুরি ঝরাাছেন।

আমরা স্বপ্নবাজরা কিন্তু মানুষকে শোষণ করে নেতাবনার বিরুদ্ধে। জননেতা সাজার বিরুদ্ধে। নিজেরা যখন অপরাধ করেন তবে কেনো অন্যের অপরাধের কথা বলেন। আপনার টাকা ও ক্ষমতা আছে তাই প্রশাসন আপনার সাথে সুর মিলাবে, অতএব আপনি জায়েজ। একটু স্বীকার করুন আপনার কাজ যথাযথ নয়। আমি সংশোধন হবো, আমার অহংকার থাকবে না। আমি ভালোবাসবো। কাজের মাধ্যমে রুটি রুজি করবো।তাফালিং পরিহার করবো। মনে প্রানে বিশ্বাস করবো “সবার উপরে মানুষ সত্য”। তাহলে আমরা আপনার অনুগামী হবো। আপনার প্রতি থাকবে একডালা সম্মান। আপনার দিক নির্দেশনায় চলবো।

আমার স্বপ্ন গুলো আপনার কল্পনায় স্থাপন করুণ দেখবেন আপনিও স্বপ্নবাজদের কাতারে। আপনাদের হেয় করার জন্য নয়। শুধু একটু স্নেহ, মায়া মমতা, ভালোবাসা পাবার জন্য একটি এলোমেলো প্রয়াস।

পুনশ্চঃ “সুখের লাগিয়া এঘর বাধিনু ” পরের চরণ যেনো আবৃত্তি করতে না হয় ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category