• সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

মরিচ বর্তার রাজনীতি বনাম পেকুয়া চকরিয়া

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ২৫৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

সাম্প্রতিক পেকুয়া চকরিয়ার রাজনীতি বড়ই বিধঘুটে কখনো মজা কখনো ঝাল তবে যারা ঝালের মধ্য থাকে তারা সবসময় জ্বালা পোড়াই থাকে। আর যারা মজার মধ্যে আছে তারা অমৃতো আস্বাদনে ব্যস্ত। তবে এই অবস্থান দির্ঘায়িত হয়না। চাঁদেরও নাকি ১৫ দিন আধাঁর আবার ১৫ দিন আলো থাকে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। মানুষের বিচারে হেরফের হতে পারে কিন্তু প্রকৃতির বিচারই সঠিক।

খোলা চোখে দেখলাম তালগাছ আমার হলেই সব ঠিক আর না হলে মাথা ঘরম। অনেকেই নৌকার বিরোধিতা করছে বলে অব্যুত হয়ে গেছে। এখন নৌকার বিরোধিতা কি সর্বান্তকরনে সঠিক? পারিবারিক লোকজন এবং খয়ের খাঁ দের পদায়নের অপচেষ্টা। বাংলায় গনতান্ত্রিক অভিযাত্রায় হয়তো কিছু দিন এক নাযক হতে পারেন, কিন্তু রাজতন্ত্র কখনোই কায়েম হবেনা।আপনারা একটা কথা বলেন সাধু সাবধান! এখন আকাশ বাতাস বলছে হে দুষ্ট সাবধান! প্রকৃতি জেগেছে। ঘটনা প্রবাহে কারো হাত নেই তবে নীরবতার বানী উচ্চারিত হচ্ছে তুমি তফাৎ যাও, টাকায় কেনা পদ, রাজনীতি, ক্ষমতা ইত্যাদির মেয়াদ আছে মেয়াদ ফুরাবার সময় হলে এরকম অগ্রিম সংকেত আসে। তবে কি এসে গেলো সে সংকেত। না হলে তুমি কেনো ঘটালে বিনামেঘে বজ্রপাত। পিতা হিসাবে তোমাকে বুক পেতে যেখানে আগলে রাখার কথা কেনো সেখানে ছড়াচ্ছে হিংসার বিষবাষ্প।

রাজনীতিক হিসাবে যে বোধ আপনার থাকার কথা চিন্তা করে দেখুন আসলে আপনার তা আছে কিনা? ভেবে দেখেন ছোট লোক বড় হলে বন্ধুরে কাঁদায় আপনিও দলীয় লোকজন এবং জনতাকে কাঁদিয়ে যাচ্ছন। দলের বাইরের লোকদের দলীয় লোক সাজিয়ে রাষ্ট্রীয় সুবিধা দিচ্ছেন। অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করেছেন। দূর্নীতিবাজ, পরধনলোভী, দখলবাজদের সাথে আপনার দহরমমহরম।

মুরব্বিদের ব্যাপারে আপনার ছেলের কঠুক্তি তা কি শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেনা? আপনাকে পরিবেষ্টিত লোকজন নিজেকে রাজা মনে করে।যাচ্ছেতাই করে যাচ্ছে এই কি কর্মী বান্ধব রাজনীতি নাকি দুষ্ট লালনের আখডা। আপনার বক্তব্যে ৫০% গালি থাকে মনে হয় আমরা গালাগালীর ক্লাস করছি। চকরিয়া পেকুয়ায় রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়ে না পড়ে আমলাতান্ত্রিকতা। তারাই যতটুকু ঠিক রাখতে পেরেছে বলে মনে হয়।

জনাব, মনে পড়ে কি সেই কুৎসিতো অতীত। সব কিছুকে আড়াল করে কর্মীরা আপনার পক্ষে ছিলো। ছিলো বলেই মেয়র, চেয়ারম্যান সবশেষ সহ সম্মানিত আসনে আপনি অধিষ্ঠিতো। এখন কি পেলো কর্মীরা কর্মীইতো একদিন নেতা হয়। নেতা হতে গেলেই আপনার গা – জ্বালা। অনেকে বিত্ত রৈভর দিয়ে যা হতে পারে নাই তা আপনি হয়েছেন, সেখানে কর্মীর ঘাম, আপনার ভাগ্য সবই ছিলো তবে এখন কেনো এসব নিয়ে প্রতারণা। আপনার গালি গা সওয়া তাই আপনার উচিৎ সবাইকে নিয়ে চলা। কিন্তু আপনি নির্দ্দিষ্ট গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন যাদের দেখলে জনতা পালাবার পথ খুজে।

যাদের জন্য আপনার তদবীর তারাতো জনবিচ্ছিন্ন। ভালোবাসা আপনার প্রতি থকলেও তাদের প্রতি আছে ঘৃণা। তাদের নিয়ন্ত্রণ করুন না পারলে আপনিও জনতার হৃদয় থেকে মুছে যাবেন। আজকে যারা আপনার পক্ষে রাজপথে নেমেছে তারা মকছুদের ফকির। কেউ ব্যাবসা, কেউ অবৈধ ক্ষমতা প্রদর্শন করে যাচ্ছে। তারা চেহারা দেখানোর জন্য আসলেও ফটোসেশানের পর ঠিকই আপনাকে গালমন্দ করেছে। তাহলে আপনিই বুঝুন আপনার গজি খালি হচ্ছে কিনা।

মহোদয়, বন্ধ কি হবে মিথ্যা মামলা, বন্ধ কি হবে হাইব্রিড লালন, বন্ধ কি হবে বাক স্বাধীনতা হরণ, বন্ধ কি হবে দূবৃত্তদের পদায়ন। মিছিলে বৈঠকে এতো নষ্ট মানুষ কেনো? প্রত্যেক ত্যাাগের একটি প্রতিফলন আছে। আজকে আপনার মুখে যাদের ত্যাগী বলেন তারা কি ত্যাগ করেছেন। ডাকাতি মামলায় জেল,দলীয় পদ দখল করে সিনিয়রদের সাথে বিয়াদবী, জনবিচ্ছিন্নতা এসব কি ত্যাগ? ফেইসবুক রাজনীতি পরিহার করা সময়ের দাবী সহমত হ্যা হুজুর জি হুজুর ইত্যাদি, পুরোনো দিনের জমিদারীর নূতন খোলস মনে হয়।তাই ভূল কে ভূল বলতে দিন তবেই বুঝবেন কোথায় ভূল হচ্ছে।

৬০% যদি সরকার সমর্থিতো হয় বিরোধী পক্ষ যদি ৪০% হয় তবে আগামীর সমিকরণ হবে ৪০%+ ৩০% = ৭০% কারণ ৩০% কে আপনারা বের করে দিচ্ছেন। হাইব্রিড একফসলীরা বছর ঘুরলে জাতে ফিরে যাবে। তখন কিছুই করার থাকবেনা। আবহাওয়ার মতো রাজনীতির আকাশ সবসময় পরিষ্কার থাকেনা তাই পরিস্কার মানুষদের রাজনীতিতে নিয়ে আসুন। নমিনেশন বানিজ্যের বাজারে অনেক ভালো মানুষ হারিয়ে যায়। আর তৃণমূলের কমিটি গুলো দুষ্ট দিয়ে সাজানো তাই তারা দুষ্টদের তুলে আনবে। গৃহবিবাদে দল ধংস তাই খুজতে হবে শান্তির পথ। এলোমেলো কথা গুলো আবেগের বিচ্ছুরণ তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি দিয়ে দেখবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category