• বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশকে ফিল্ডিং দিয়ে হলেও দুবার আউট করবে পাকিস্তান! মুরাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি চকরিয়ায় আট ইউনিয়নে ৪৮ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ পেকুয়ায় স্ত্রীকে প্রাণনাশ চেষ্টা, সালিশকারও আসামী ঠাকুরগাঁওয়ে চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ সাংবাদিক এমাদুল হক শামীমের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সড়ক দূর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্রের মৃত্যু ঠাকুরগাঁও ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই সার ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নির্বাচনী সহিংসতা: তিন মামলায় প্রায় দেড় হাজার আসামি ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে ইয়াবা সহ ২জনের কারাদন্ড

মশার কামড়ে ‘অতিষ্ঠ’ চকরিয়া পৌরবাসী

বাপ্পি শাহরিয়ার / ৬৬ Time View
Update : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মশার কামড়ে ‘অতিষ্ঠ’ চকরিয়া পৌরবাসী
মহামারী করোনার চাপা আতঙ্ক তো আছেই। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মশার উপদ্রব। এই নিয়ে চকরিয়া পৌরসবাসী দিশেহারা। শীত মৌসুম শেষ হতে না হতেই পৌরশহরে মশার উপদ্রব মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে।

প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষ মশার উপদ্রব টেকাতেই ন্যস্ত। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বাসাবাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ করেও রেহাই মিলছে না। মশার জ্বালায় শিশু থেকে বৃদ্ধ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। শহরের নালাগুলোতে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা দীর্ঘদিন ধরে পরিস্কার না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

পৌরসভার বিভিন্ন মহলের সঙ্গে কথা বলে জানা যা, পৌরসভার নালাগুলো দীর্ঘদিন পরিস্কার করা হচ্ছে না।তার ওপর ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নিয়মিত নালাতেই। পানির ময়লার স্তূপ নিয়মিত সরিয়ে না নেওয়ায় জন্ম নিচ্ছে মশা। শীতে বৃষ্টিপাত না থাকায় প্রাকৃতিকভাবে মশা নিধন হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে পৌর কর্তৃপক্ষও মশা নিধন করছে না। ফলে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে চকরিয়া পৌরসভা প্রস্তাবিত বাজেটে মশক নিধন, কুকুর নিধন, বেওয়ারিশ লাশ দাফন/সৎকার খাতে ব্যয় ধরা হয়েছিলো ১০লক্ষ টাকা। তা কার্যকর কোনো কাজে আসেনি বলে মন্তব্য পৌরবাসীর।

পৌরবাসীর দাবি, আগে পৌরসভার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধক ওষুধ স্প্রে করা হতো। কিন্তু গত এক বছর ধরে পৌরসভা এ ধরনের কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না। খাল ও নালা পরিস্কার না করার ফলে মশার উপদ্রুব বেড়েই চলেছে।

সরেজমিনে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, পৌর এলাকায় অধিকাংশ পাড়া-মহল্লায় ছোট ছোট ডোবা-নালা। ময়লা ও আবর্জনায় দখলে শহরের নালাগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ছে মশা। এ বিষয়ে পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক রিদুয়ানুল হক ফেসবুক স্ট্যাটাসে দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষে দৃষ্টি আর্কষণ করে তিনি লিখেছেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে চকরিয়া পৌরশহরে মশা নিধনের স্প্রে ছিটানোর জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

ঔষুধ কোম্পানির বিপনণ কর্মকর্তা আহমদ আকবর বলেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে চকরিয়া পৌরশহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন তিনি। কিন্তু এবছর মশার উপদ্রব যেন সহ্য করা যাচ্ছে না। মশার কামড়ে সন্ধ্যা থেকেই অতিষ্ঠ হতে হয়। কয়েল, ধোঁয়া কিছু দিয়েই কাজে আসছে না।’

পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও চকরিয়া সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সদস্য জিয়া উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘চকরিয়া পৌরসভা মশক নিধন, কুকুর নিধন ও বেওয়ারিশ লাশ দাফন/সৎকার বাবদ ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে খরচ ধরা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। নাগরিক হিসেবে এই ১০ লক্ষ টাকা খরচের বিস্তারিত জানতে চাই। এই টাকা কোথায় খরচ হয়েছে। তার জানার অধিকার নাগরিক হিসেবে আমাদের আছে।’

চকরিয়া পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. হায়দার আলী বলেন, ‘এই বছর এখনো মশক নিধক ওষুধ ছিটানো হয়নি। অল্প কিছু দিনের মধ্যে মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মশা নিধনের কার্যক্রম শুরু হবে। আমরা এই সময় করোনাকে মাথায় রেখে মশার কার্যক্রম জড়ালোভাবে কাজ করবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category