• রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন

মহাসড়কে লাগোয়া মুরগির পিষ্ঠার স্তুপ; র্দূগন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া / ২০৫ Time View
Update : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া এলাকায় সড়কে লাগোয়া মুরগির পিষ্ঠার স্তুপ।র্দূগন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন। এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, খুটাখালীর মেদাকচ্ছপিয়া এলাকায় মহাসড়ক লাগোয়া ছোট-বড় ১০/১৫টির মত মুরগির পিষ্ঠার স্তুপ রয়েছে।এসব মুরগির পিষ্ঠার স্তুপের উপরে ছিড়াঁ-ফাটা পলিথিনের কাগজের টুকরো দিয়ে রেখেছে। তবু বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজে আর রৌদ্রের শুকায়।ফলে র্দূগন্ধে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি ছোট-বড় গাড়ীর যাত্রী সহ এলাকার আওয়াল, বৃদ্ধ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ুয়া কচিঁ শিক্ষার্থীদের যাতায়তে চরমভাবে বিঘ্নাত সৃষ্টি হয়েছে।অনেক শিক্ষার্থীরা পচাঁ র্দূগন্ধের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার অনীহা প্রকাশ করছে বলে অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন। শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা জানান, মুরগির পিষ্ঠার র্দূগন্ধ সহ্য করতে না পেরে অনেক ছেলে-মেয়েরা পথের মধ্যে বুমি করেছে। মহাসড়কে পাশ্ববর্তী দোকানদার ও প্রতিবেশী বাড়ীওয়ালা জানান, বৃষ্টিতে ভিজে আর রৌদ্রে শুকিয়ে মুরগির পিষ্ঠার র্দূগন্ধে আমরা ঘর-বাড়ী উঠান ঘাটায় বের পারছি না। কোন কারণে কাজে বের হলেই মুখে কাপড়ে বেঁধে বের হতে হচ্ছে। এলাকার কিছু লোকরা তাদের ফায়দা লুন্ঠনের জন্য এসব পিষ্ঠা জমায়তে স্তুপ করেছে।তাদেরকে অনেক বলার পরও তারা এগুলো সরিয়ে নিচ্ছে না। তবে তাদের ভয়ে কেউ নাম প্রকাশ করছেন না।

নাম প্রকাশে অইচ্ছুক একজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, মহাসড়কে পাশে ফেলে রাখা মুরগির পিষ্ঠা গুলো পানের বরজকারীদের কে বিক্রি করে। কিন্তু এবছর তারা অগ্রীম ক্রয় করে জমা করায় বৃষ্টিতে ভিজে রৌদ্রে শুকাচ্ছে বলেই র্দূগন্ধের ছড়াছড়ি। এই ব্যবসায়ীর এখন কারো কথায় কর্ণপাত করছেন না।

মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ (ইন্সপেক্টর) সাফায়েত হোসেন বলেন, ওই এলাকার এক ব্যক্তি মুরগির পিষ্ঠার স্তুপের কারণে যে র্দূগন্ধ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে । তাই আমি নিজেই গিয়ে আশপাশের লোকজনকে বলে এসেছি,একদিনের মধ্যে এসব সরিয়ে নিতে। তবুও যখন এসব পিষ্ঠা সরিয়ে নিচ্ছে না।আপনার আমাদেরকে এসব পাচারকারী নাম্বার ঠিকানা দিতে পারেন কিনা দেখুন। আর আমরা যদি স্পষ্টে কাউকে দেখতে পায়। তাকে ধরে নিয়ে এসে মোবাইল কোর্ট করিয়ে জেল-জরিমানা করবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, যারা এসব রেখে যারা পরিবেশ দূষণ করছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category