• রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন পরিত্যক্ত সেবা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত

এম এইচ শান্ত  বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্তণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 বাগেরহাট জেলা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  এখন পরিত্যক্ত সেবা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেবা নামক তালিকায় যে  ধরনের সেবা লেখা,সেটা এখন লেখা  পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।   পরিদর্শক কি শুধু সেবা নামক তালিকা দেখেই পকেট ভারী করে চলে যায়, নাকি ব্যস্তবে কিছু দেখেন।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নামে মাত্র সেবা,   হরেক রকম  সমস্যা নিয়ে রোগীরা কোন মতে চিকিৎসা সেবা পায়, যে সেবা টুকু পেয়ে থাকে তা একজন পল্লি চিকিৎসক ও দিতে পারে, এখানে সামান্য কিছু হলেই ডাক্তার গন বলে থাকেন এ ধরনের চিকিৎসা আমাদের এখানে  নেই আপনারা খুলনায় নিয়ে যান,    আর যদিও এখানে রাখতে চান  রোগীর কোন প্রকার সমস্যা হলে আমরা দায়ী নয় এ রকম শর্তে বেঁধে দেওয়া হয়। খুলনা বা শহরে নিয়ে যাওয়ার মত হত-দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব হয় না , তাই  টাকার অভাবে এবং মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায়  বছরে শত-শত    অসহায় মানুষ। দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হলেও উন্নতির  ছোয়া লাগেনি মোংলা উপজেলার অসহায় মানুষের কপালে।      গভীর রাতে জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও মেলেনা কোন ঔষুধ। ওষুধের মজুদ সব সময়ই খালী থাকে হোক মাসের শুরু কিংবা মাসের শেষ, শুরু পাওয়া যায় খাওয়ার  স্যালাইন ও প্যারাসিটামল এবং মেটোনিডাজল ট্যাবলেট ,  এ ভাবেই চলছে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, এখানেই শেষ নয় একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স যেটা ভালো থাকলে সারাক্ষণ রাত বা দিন থাকে মোংলার বাহিরে, যদিও মোংলায় পাওয়া যায়  তখন – যখন সে এ্যাম্বুলেন্স টি  থাকে নষ্ট। নোংরা পরিবেশে সব কটি ওয়ার্ড, ময়লা – আবর্জনা এমন কি কুকুরের মল এবং মানুষের মল পর্যন্ত ওয়ার্ডের ভিতরে, অবহেলায় নষ্ট হয়ে গেছে বেশ কিছু ফোমের বেড। অযত্নে আছে হাসপাতালে প্রত্যেকটি আসবাবপত্র। মনে হয় এখানে কোন রোগীতো দূরের কথা মানুষ বসবাস করে না। কে কখন আসে সেবা দিতে এবং কে কখন যায় সেবা দিয়ে,  তা বুঝা মুশকিল অথচ হাজিরা খাতায় সঠিক তারিখ ও সঠিক সময় নিয়মিত। মোংলা উপজেলা বাসীর জন্য এটা খুবই দুঃখজনক এ যেন দেখার কেহ নেই। যে হাসপাতালে পরিদর্শকের দরজায় থাকে ডিউটির সময় তালা- কি ভাবে কুমবে  রোগীর মনের জ্বালা। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ছিলো কিছু সংরক্ষিত কেবিন তাও এখন বিলিন।   এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স র প্রত্যেকটি নার্স একজন এমবিবিএস ডাক্তারের মত আচার- আচারন।  আর ডাক্তার সে তো আউট ডোরে বেশির ভাগ সময় রোগী দেখেন। প্রশ্ন মোংলা বাসীর-  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে  এখানে যে ঔষুধ দিয়ে থাকেন এবং চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে থাকেন তা কোথায় যায়। প্রতি মাসে এতো টাকা বেতন দিয়ে থাকেন জনগনের ট্যাক্স এর টাকায় কি লাভ, সেই জনগন তো সেবা থেকে বঞ্চিত।ওয়ার্ড বয়, আয়া, ক্লিনার, নার্স, চিকিৎসা, ঔষুধ, বেতন – ভাতা সবই ঠিক আছে শুধু নেই সঠিক সেবা। সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত মোংলা উপজেলা বাসী।  এক্স-রে মেশিন থাকা সত্ত্বেও বাহির থেকে রোগীদের বেশি টাকা দিয়ে করতে হয় এক্স-রে।   এই সকল অভিযোগ এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগী রোগীদের। এই সমস্যার সমাধান অচিরেই চায় মোংলা উপজেলা বাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category