• রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডুলাহাজারার ২৯৬৫ পরিবার পঞ্চগড়ে জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আমরা কীভাবে সিয়াম বা রোজাকে গ্রহণ করেছি! নিয়োগ দিয়েছেন ভিসা; স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডুলাহাজারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল ও স্মরণ সভা সম্পন্ন চকরিয়ায় গাড়ির চাপায় নৈশপ্রহরী নিহত ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের ভিত্তিস্থাপনের উদ্বোধন করোনায় ১ কোটি মানুষ সরকারের খাদ্য সহায়তা পেয়েছে- আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক কাউন্টার খোলা রেখে টিকিট বিক্রির অপরাধে জরিমানা চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরীর আয়োজনে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

রাণীশংকৈলে সমলয় পদ্ধতিতে আউশ চাষের উদ্ধোধন

বিজয় রায় ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি / ৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

সারাদেশে একমাত্র এই প্রথম ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আউশ সমলয় আবাদে নতুন প্রযুক্তিতে বীজ বপন এবং মেশিন দিয়ে রোপা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ২৬ জন কৃষকদের ১০০ বিঘা জমিতে ১৬দিন বয়সী চারা রোপন করে এই সমলয় পদ্ধতির উদ্বোধন করেন কৃষিবিদ ও উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ। উদ্ধোধনের উপস্থিত ছিলেন সে ওয়ার্ডের মেম্বার আবু সালেহ বাবলু সহ এলাকার কৃষক কৃষাণীরা ।

এসময় কৃষকরা জানান- ইতিপূর্বে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে বোরো ধানের সমলয় প্রযুক্তির চাষ দেখে আমরা উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেরাই এ মৌসুমে আউশ ধান চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করি। এরই পরিপেক্ষিতে উপজেলা কৃষি অফিস হতে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হয় আমাদের। কৃষি অফিস থেকে ৩০০ কেজি বিনা১৯ ধান বীজ বিনামূল্য দেওয়া হয়। বীজ রোপনের জন্য ৩০০০ ট্রে দেয়া হয়েছে এবং মেশিন দিয়ে রোপনের জন্য সার্বিক সহযোগিতা করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, এ পদ্ধতিতে ধান চাষে কৃষকের যেমন সময়, শ্রম ও খরচ বাঁচবে তেমনি উৎপাদনও হবে বেশি। এতে লাভবান হবেন কৃষকরা।
সমলয় পদ্ধতি হলো সবাই মিলে একসঙ্গে একই সময়ে একই জাতের ধান রোপণ করা।

এ পদ্ধতিতে ধান আবাদ করতে হলে চারা তৈরি করতে হবে ট্রেতে। ট্রেতে চারা উৎপাদনে জমির অপচয় কম হবে। চারা রোপণ করতে হবে রাইচ ট্রান্সপ্লান্টার মেশিন দিয়ে। এতে সব চারা একই গভীরতায় সমানভাবে লাগানো যায়। জমিতে সার ও আগাছা পরিষ্কার করতে হবে একই সময় একসঙ্গে। একসঙ্গে রোপণ করায় সব ধান পাকবেও একই সময়ে। তখন হারবেস্টার মেশিন দিয়ে একই সঙ্গে সব ধান কাটতে হবে। ধান মাড়াই ও বস্তাবন্দীও করতে হবে একসঙ্গে একই সময়ে।

এ পদ্ধতিতে প্রতি বিঘায় চারা তৈরি থেকে রোপণ পর্যন্ত সর্বোচ্চ খরচ হবে ৫০০ টাকা। আর পাকা ধান কম্বাইন্ড হারবেস্টার দিয়ে কেটে মাড়াই ও বস্তাবন্দী করতে এক বিঘা জমিতে খরচ হবে মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকা।

জানা যায়, এ বছর সরকারি প্রণোদনায় উপজেলায় সমলয় পদ্ধতিতে ধান রোপণের প্রদর্শনী প্লট করা হয়েছে। উপজেলায় মোট ৩৬ জন কৃষক ১৫০ বিঘা জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে বিনা১৯ জাতের ধান রোপণ করবেন।

কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ বলেন এসব জমি এসময় ফেলে রাখা হতো । সমলয় চাষে স্বল্পসময়ে অল্প খরচের মাধ্যমে যে জমি অসময়ে ফেলে রাখা হতো সে জমিগুলোতে একটি ফসল বেশি করে চাষ করা যাবে। এবং ১১০ দিনের মধ্যে এ ধান কাটা যায়, এ সমলয় চাষে কৃষকরা উপকৃত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category