• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে’র মুক্তি ও প্রতিমা ভাঙচুর, নির্যাতনের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন বিক্ষোভ চকরিয়ায় সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠন হস্তশিল্প পরিবারের বর্ষপূর্তি পালিত খুটাখালী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক মিটু আনোয়ারায় ১৫০০পিস ইয়াবাসহ আটক-৩ ট্রাফিক পুলিশের ওপর বিরক্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন নাটোরের সিংড়ায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে! সিংড়ায় এএসআই সানোয়ার কর্তৃক ব্যবসায়ী কে মারপিটের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন মানবিক কর্মকর্তা গোলদার শাহবাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিআরসি প্রধানের আলোচনা আরো রাশিয়ান এস-৪০০ কিনবে তুরস্ক : এরদোগান

শিক্ষিত যুবসমাজকে কৃষিতে আত্মনিয়োগের মধ্য দিয়েই নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন সম্ভব

গিয়াস উদ্দিন সিকদার বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম মহানগর / ২২৩ Time View
Update : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

এফ. আই. কে. সুরাইয়া গ্রীণ এগ্রিকালচার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি মরুর মাঝে উন্নত প্রযুক্তির কৃষি প্রকল্প পরিদর্শন করেন। কৃষিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে বাংলাদেশে উনার নিজস্ব কৃষি প্রকল্প গুলোতে উন্নত প্রযুক্তি সংযোজন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান।কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।নাড়ির টান আর মাটির টানে কৃষিকে শিল্পে পরিনত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে এই মাটিকে ফিরিয়ে দিবো মাটির গুণাগুণ,বীজ থেকে চেয়ে নিবো সম্ভাবনার ভ্রুণ।

ভাগ্য বিধাতা সর্বদাই কর্মঠ আর সাহসীদের পক্ষে থাকেন । চিরন্তন এই বাণীকে প্রমাণ করে সফলতার সিঁড়িতে আগ্রসর হওয়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে এগিয়ে চলছে মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি। তার নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন খামার , কৃষিকাজ ও বিভিন্ন ফলের বাগান করে যাচ্ছেন।নিজের উদ্যম, সাহস আর সৃষ্টিশীলতা দিয়ে তৈরি করেন নতুন নতুন পথ। মাটি নিবিড় টান ছোট বেলা থেকেই শাক-সবজি গাছ-গাছালীর প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছিল এফ. আই. কে. সুরাইয়া গ্রীণ এগ্রিকালচার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পিকে। সেখান থেকেই তার এ আগ্রহ।এফ. আই. কে. সুরাইয়া গ্রীণ এগ্রিকালচার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন – কৃষিতে এক অপার সম্ভাবনার এই বাংলাদেশ। যে দেশের মাটিকে সোনার সাথে তুলনা করা হয়। সে মাটির অতল গহ্বরে সোনার খনি না থাকলেও সোনার ফসল ফলাতে এ মাটির উর্বরতা অতুলনীয়। এই উর্বরতা একটি অপরিপক্ব বীজকেও সময়ের আবর্তনে ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ সমৃদ্ধ বৃক্ষে পরিণত করে। এ দেশের ৮০ শতাংশ প্রান্তিক কৃষকের আশার আলো সঞ্চারিত হয় কৃষিকে কেন্দ্র করে।

উন্নত বিশ্বের দেশগুলো শিল্পনির্ভর হলেও আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো এখনো কৃষিকে ঘিরেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখে। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি, উন্নত ও মানসম্মত বীজ এবং কীটনাশক ও রাসায়নিক সার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দেশের বিভিন্ন অংশে খাল খনন ও উন্নত সেচব্যবস্থা কৃষিতে এনে দিয়েছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এ জন্যই আগেকার দিনে বিঘাপ্রতি যে পরিমাণ ফসল উৎপাদিত হতো, এখন তার পরিমাণ কয়েক গুণ বেশি। এক ফসলি জমিগুলো তিন ফসলি জমিতে রূপ নিয়েছে।

দেশের শিক্ষিত যুবকদের একটি বৃহৎ অংশ বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত। চাকরির পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে তারা দিশেহারা। শিক্ষিত যুবসমাজের কৃষিতে আত্মনিয়োগের মধ্য দিয়েই নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন সম্ভব।আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি। এই মাছ চাষ করেও অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক স্বাবলম্বী হয়েছে। শিক্ষিত বেকার যুবকেরা যদি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে না পারে তা হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হতাশ হবে। জাতীয় অর্থনীতি স্তিমিত হয়ে পড়বে। তাই আসুন নিজে স্বপ্ন দেখি এবং জাতিকে স্বপ্ন দেখাই। তবেই দেশ বাঁচবে, মানুষ বাঁচবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category