• বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফজলি আম ও বাগদা চিংড়ি পাচ্ছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ইসরাইল, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের যৌথ অর্থনৈতিক ফোরাম গঠন মুসলিম উন্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পাপুয়া নিউ গিনিকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলেই সুপার টুয়েলভে জায়গা হবে টাইগারদের ভোটের হাওয়া–সাত ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধির মতের ঐক্য এবং মাতামুহুরি উপজেলা পেকুয়ায় চালের টিন কেটে দুইটি মোবাইলের দোকানসহ তিন দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ সুন্দরী আটক সিংড়ায় সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সম্প্রীতি সমাবেশ চকরিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ যুবক নিহত মোংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষ্যে সম্প্রীতির বন্ধন ও সমাবেশ

সারা দেশে কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধীর দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ১১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

মোঃ ফোরকান উদ্দিন

সারা দেশে কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধীর দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে।মুলত করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ থাকায় তাদের দৌরাত্ম্য স্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।শুধু করোনার কারনে কিশোর গ্যাং তৈরী বা বৃদ্ধি পেয়েছে তা নয়,অনেকটা স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় তাদের অলস সময় গুলো স্বাভাবিক খারাপ কাজে ব্যয় করছে। বিভিন্ন অপরাধ বিশেষজ্ঞ,আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী চিন্তায় মগ্ন কিভাবে এদের দমানো যায়।তারা চোরি, ডাকাতি,ইয়াবা পাচার, পকেটমার,নারীগঠিত অপরাধ এমনকি খুন খারাবির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।মুলত গ্রুপিংএলাকায় প্রধান্য বিস্তার রাজনৈতিক নেতা তথাকথিত বড় ভাইয়ের হুকুম তামিলে এরা জান কোরবান দিতে প্রস্তুত।বাবা মায়ের আদরের ছেলে গুলোকে তাদের (বড়ভাইদের)বিকৃত অর্থোপার্জন এলাকায় নেতৃত্ব ও প্রভাব বিস্তারের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মুহুর্তে তাদের দমানো সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে জাতির কপালে বড় ধরনের কলংক লেপন হতে পারে।আমার বিশ্বাস দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধীদের দমনে বদ্ধ পরিকর।এদের কিশোর না ভেবে শুধু অপরাধী সাব্যস্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। কোন রকম রাজনৈতিক বড় ভাই বা গডফাদার যেন প্রভাবিত করতে না পারে।কেননা আগামীর জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এদের দমন বাধ্যতামুলক।অনেক বাবা মায়ের আশা আকাংখা সপ্ন ধুলিষ্যাত হয়ে যেতে পারে।এসব অপরাধী কিশোররা এন্ড্রয়েড মোবাইলে পাবজি (পাপজি)বাপজি নানা রকম জোয়া পর্নো নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে।এলাকায় তাদের আনাগোনা, বৈঠকস্থল,কফিহাউস, মার্কেটপ্লেজে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তীক্ষ্ণ নজর রাখা উচিৎ। কিশোর শব্দটি অনেকটা অনুকম্পা ও দয়াপরবশ শব্দ এগুলো বাদ দিয়ে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হোক। পরিবারিক শাসন অনেকটা তারা মানছেননা,এই ক্ষেত্রে কঠোর আইনে শাসন প্রয়োগ করা জরুরি। প্রতিটি পাড়া মহল্লা ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তত্বাবধানে কমিটি গঠন, সাপ্তাহিক বৈঠক নানা রকম পরামর্শ গার্ডিয়ানদের অভিযোগ বিবেচনা পূর্বক ব্যবস্থা নিলে আমার মনে হয় কিশোর অপরাধীদের অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সন্ভব।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category