• বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে পদার্পণ করলো দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা

শেখ রাসেল, মোংলা উপজেলা প্রতিনিধি / ১৭৫ Time View
Update : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে পদার্পণ করলো দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর বিশ্বের একমাত্র প্রাকৃতিক বন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে মোংলা বন্দর। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় মোংলা বন্দর এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ঘুরতে শুরু করে মোংলা বন্দরের ভাগ্য চাকা। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ বন্দর। গত ১১বছরে এ বন্দরের উন্নয়নে ৫০ টির বেশী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে সীমিত পরিসরে সকাল ৯ টায় র‍্যালী, ১০ টায় স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও দুপুরে আলোচনাসভা ও বন্দরের সাফল্যে ও অগ্রগতি কামনায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বড় কোন আয়োজন নেই বলে জানিয়েছে বন্দরের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগ।

জানা গেছে,১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ‘দি সিটি অফ লিয়নস’ সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে । এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা। পরে ১৯৫১ সালের ৭ই মার্চ জয়মনির গোল থেকে ১৪ মাইল উজানে চালনা নামক স্থানে এ বন্দর স্থানান্তরিত হয়ে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত বন্দরের কার্যক্রম চলে । পরে স্যার ক্লাইভ অ্যাঙ্কনিস পশুর ও শিবসা নদী জরিপের জন্য আসেন। দীর্ঘ বিস্তৃত জরিপের পর তিনি তার রিপোর্টে বন্দরকে চালনা থেকে সরিয়ে মোংলায় প্রস্তাব করে । চালনা থেকে ৯/১০ মাইল ভাটিতে মোংলা নদী এবং পশুর নদীর মিলন স্থলে ছিলো ‘‘মোংলা’’ । এখানে নদীর নাব্যতাও ছিল বেশি । সুবিস্তৃত স্থলভাগ ও বন্দর নির্মানের জন্য ছিল উপযোগী। উপরোক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন এ বন্দরকে সরিয়ে মোংলা নামক স্থানে নিয়ে আসা হয়।বন্দর যখন চালনা বন্দর ছিল তখন এটা ছিল একটা অচেনা গ্রাম নাম ছিল শেলাবুনিয়া। তবে বন্দর স্থানান্তরের পরেই ঘটে তার পরিবর্তন। একটা অচেনা ক্ষুদ্র গ্রাম পায় আন্তর্জাতিক পরিচিতি । মোংলা নদীর তীরে স্থাপন হওয়ায় এ বন্দরের নাম হয় মোংলা। জনশূন্য এলাকায় মুখরিত হয়ে ওঠে জন কলরবে। একটি সরকারি অধিদপ্তর হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৭৬ সালে মে মাসে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং পুনরায় ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটির নাম পরিবর্তন করে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

জানতে চাইলে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয় অর্থনীতিসহ এই অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে মোংলা সমুদ্র বন্দর। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক ও মোংলা- রামপালের বর্তমান সাংসদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহারের বিশেষ পদক্ষেপ ও পৃষ্ঠপোষকতায় মোংলা বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে।

হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে পদার্পণ করলো দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর বিশ্বের একমাত্র প্রাকৃতিক বন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে মোংলা বন্দর। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় মোংলা বন্দর এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ঘুরতে শুরু করে মোংলা বন্দরের ভাগ্য চাকা। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ বন্দর। গত ১১বছরে এ বন্দরের উন্নয়নে ৫০ টির বেশী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে সীমিত পরিসরে সকাল ৯ টায় র‍্যালী, ১০ টায় স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও দুপুরে আলোচনাসভা ও বন্দরের সাফল্যে ও অগ্রগতি কামনায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বড় কোন আয়োজন নেই বলে জানিয়েছে বন্দরের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগ।

জানা গেছে,১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ‘দি সিটি অফ লিয়নস’ সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে । এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা। পরে ১৯৫১ সালের ৭ই মার্চ জয়মনির গোল থেকে ১৪ মাইল উজানে চালনা নামক স্থানে এ বন্দর স্থানান্তরিত হয়ে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত বন্দরের কার্যক্রম চলে । পরে স্যার ক্লাইভ অ্যাঙ্কনিস পশুর ও শিবসা নদী জরিপের জন্য আসেন। দীর্ঘ বিস্তৃত জরিপের পর তিনি তার রিপোর্টে বন্দরকে চালনা থেকে সরিয়ে মোংলায় প্রস্তাব করে । চালনা থেকে ৯/১০ মাইল ভাটিতে মোংলা নদী এবং পশুর নদীর মিলন স্থলে ছিলো ‘‘মোংলা’’ । এখানে নদীর নাব্যতাও ছিল বেশি । সুবিস্তৃত স্থলভাগ ও বন্দর নির্মানের জন্য ছিল উপযোগী। উপরোক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন এ বন্দরকে সরিয়ে মোংলা নামক স্থানে নিয়ে আসা হয়।বন্দর যখন চালনা বন্দর ছিল তখন এটা ছিল একটা অচেনা গ্রাম নাম ছিল শেলাবুনিয়া। তবে বন্দর স্থানান্তরের পরেই ঘটে তার পরিবর্তন। একটা অচেনা ক্ষুদ্র গ্রাম পায় আন্তর্জাতিক পরিচিতি । মোংলা নদীর তীরে স্থাপন হওয়ায় এ বন্দরের নাম হয় মোংলা। জনশূন্য এলাকায় মুখরিত হয়ে ওঠে জন কলরবে। একটি সরকারি অধিদপ্তর হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৭৬ সালে মে মাসে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং পুনরায় ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটির নাম পরিবর্তন করে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

জানতে চাইলে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয় অর্থনীতিসহ এই অঞ্চল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category