• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও শীতের দাপটে ছিন্নমুল ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি গুয়াপঞ্চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হলেন হাসানুর রশীদ চাতরী ইমাম হোসাইন (রাঃ) সুন্নী সমাজ কল্যাণ পরিষদের ১১তম মাহফিল সম্পন্ন বদরখালীতে চশমা প্রতীকের গণজোয়ার গণতন্ত্র সম্মেলনে দাওয়াত না পাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছু নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিটনের প্রথম টেস্ট শতক নাসিরনগরে সাপ আতংক নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেস ব্রিফিং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুকুল হোসেন পেকুয়ায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ উজানটিয়ায় জনসমুদ্র চশমার পথসভা, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শংকা

হামাসের রকেট রুখতে গিয়ে বিপুল ক্ষতির মুখে ইসরাইল

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১

গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলে নিক্ষেপ করা রকেট রুখতে গিয়ে কয়েক লাখ কোটি ডলারের ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরাইল। গাজা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রকেটগুলো খুব একটা আধুনিক নয়। কিন্তু সেগুলো রুখতে গিয়ে বহুল আলোচিত আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করতে গিয়েই মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরাইল। আবার এত বিপুল ব্যয় করেও তারা হামাসের সব রকেট ধ্বংস করতে পারছে না। এবারের যুদ্ধে হামাসের অনেক রকেট ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আঘাত হেনেছে।

ইসরাইলের আয়রন ডোমকে ফাঁকি দিয়ে যেসব স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে হামাসের রকেট আঘাত হেনেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল আবিব, একটি পাইপলাইনের কাছে ও বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা।

ইসরাইলি বিমান হামলায় গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছৈ ২১৩ জন। এদের মধ্যে ৬১ জন শিশু, ৩৫ জন নারী। আর ইসরাইলে নিহত হয়েছে ১০ জন।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী উজি রুবিন ডেইলি সাবাহকে বলেন, এবার হামাস যেসব রকেট নিক্ষেপ করেছে, সেগুলো ২০১৪ সালের চেয়ে অনেক উন্নত।

আর এবারই হামাস ইসরাইলের অনেক গভীরে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।

রুবিন বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে ২০১৪ সালের চেয়ে ২০২১ সালের হামাসের রকেটে খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কিন্তু তীব্রতা ও সংখ্যার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে।
তিনি বলেন, এছাড়া প্রমাণ হয়েছে যে আয়রন ডোমের মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি লিকপ্রুফ নয়।
আয়রন ডোম ৮০ ভাগ থেকে ৯০ ভাগ রকেট ধ্বংস করতে পারে। কিন্তু ১০ ভাগ তো আঘাত হানে। আয়রন ডোমকে ফাঁকি দিতে এবার হামাস একসাথে বিপুলসংখ্যক রকেট নিক্ষেপ করেছে। ফলে আয়রন ডোমের অকার্যকারিতাও প্রমাণিত হয়েছে।

আবার খরচের দিক থেকে হামাসের রকেট আর আয়রন ডোমের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বিপুল। হামাসের একটি রকেট বানাতে খরচ হয় ৩০০ ডলার থেকে ৮০০ ডলার। আর এগুলো ধ্বংস করতে আয়রন ডোমের প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের খরচ হয় ৫০ হাজার ডলার থেকে এক লাখ ডলার। ফলে রকেট ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরাইলের বিপুল অর্থ নষ্ট হচ্ছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে এ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সূত্র : ডেইলি মেইল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category