• মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে’র মুক্তি ও প্রতিমা ভাঙচুর, নির্যাতনের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন বিক্ষোভ চকরিয়ায় সর্ববৃহৎ নারী উদ্যোক্তা সংগঠন হস্তশিল্প পরিবারের বর্ষপূর্তি পালিত খুটাখালী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল, সাধারণ সম্পাদক মিটু আনোয়ারায় ১৫০০পিস ইয়াবাসহ আটক-৩ ট্রাফিক পুলিশের ওপর বিরক্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন নাটোরের সিংড়ায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে! সিংড়ায় এএসআই সানোয়ার কর্তৃক ব্যবসায়ী কে মারপিটের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন মানবিক কর্মকর্তা গোলদার শাহবাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিআরসি প্রধানের আলোচনা আরো রাশিয়ান এস-৪০০ কিনবে তুরস্ক : এরদোগান

হিজাবের রানী ফাতিমা আবু শানাব

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ১১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

মোঃ ফোরকান উদ্দিন
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেফ তাইয়্যেপ এরদুগান যখন রাষ্ট্রীয় সফরে কোন প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করেন তাহার পাশে দেখা যায় এক ২৬ বছর বয়সী হিজাব পরিহিতা তুর্কি নারীকে। যিনি শুধুমাত্র হিজাব পড়ার কারনে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। নাম ফাতিমা আবু শানাব। তিনি একজন ফরেন পলিটিক্স এক্সপার্ট ও ট্রান্সলেটর (অনুবাদক)। শুধু তাই নয় আরো একটি পরিচয়ের জন্য তিনি বিশ্ববিখ্যাত রাজনীতিবিদ তার মা মার্ভে কাভাকুচি তুরস্কের প্রথম হিজাবধারী মহিলা হিসেবে হারভার্টের লেখাপড়া শেষ করে ১৯৯৯ সালে তুরুস্কের পার্লামেন্টে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে ডেপুটি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরও সংসদে রাষ্ট্র ও ধর্মনিরপেক্ষ পার্লামেন্ট এমপিদের বিরোধীতার কারনে এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।

এমনকি শুধু এমপি থেকে নয় পরবর্তীতে নাগরিকত্ব থেকেও বহিস্কার করে দেশান্তর করেন। অথচ মার্ভে কাভাকুচি ছিলেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি, শুধুমাত্র ইসলামী লেভাস হিজাব পরার কারনে তাকে দেশ থেকে বহিস্কার করা হয়।

পরবর্তীতে এরদুয়ান ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ থেকে ২০১৩ সালে হিজাবের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলে ২০০৭ সালে মার্ভেকাভাকুচি দেশে ফিরে আসেন।বিশ্বের ৫০০ জন প্রভাবশালী মহিলার তালিকায় থাকা কাভাকুচিকে তুরস্কের সরকার মালেশিয়ায় রা্ষ্ট্র দুত হিসেবে নিয়োগ দেন। তারই মেয়ে ফাতিমা আবুশানাব। বিশ্বের আলোচীত হিজাবধারী মহিলা বলতে গেলে তুরস্ক ও ইসলামপন্থীদের ব্রান্ড এম্বেসেটর ও প্রেসিডেন্টের ট্রান্সেলেটর (অনুবাদক) হিসেবে বিশ্বে ইতিমধ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছেন।

১৯৮০ সাল থেকে তুরস্কে ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে ইসলাম পন্থিদের উপর নানা রকম জুলুম ও মাত্রাতিরিক্ত বিধি নিষেধ চালু করেন তৎকালীন ধর্মনিরপেক্ষ সরকার এমন কি আযান পর্যন্ত বন্ধ করে দেন, যা ১৯৯৯ সালে একজন নির্বাচিত ডেপুটি পার্লামেন্টারিয়ানকে গ্রান্ড ন্যাশনাল এসেন্বেলীতে শপত করতে না দিয়ে পার্লামেন্ট থেকে বের করে দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ ছিলো।

খুবই দুঃখজনক ছিলো তুরস্কের সেই পরিস্থিতি। আজ সব পাল্টে গেছে এরদুয়ান সরকার হিজাবের উপর আযানের উপর মসজিদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছেন।আজ সারা বিশ্বে হিজাবের ব্রান্ড এম্বেসেডর হিসেবে প্রেসিডেন্টের সাথে বিশ্ব চষে বেড়াচ্ছেন ট্রান্সেলেটর (অনুবাদক) ফাতিমা আবু শানাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category