• সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১০:০১ অপরাহ্ন

হে আল্লাহ সবাইকে সুখি করুন সবাই যেনো ভালো থাকি – ঈদ মোবারক

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ১১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

ঈদ আনন্দের একমাস সিয়াম সাধনার পর সমগ্র বিশ্বের মুসলিমরা পালন করে ঈদুল ফিতর। নামাজ, পারশপরিক কোলাকুলী, কুশল বিনিময়, মুখরোচক খাদ্য নূতন কাপড় সবই ঈদের অনুষঙ্গ। মানুষের মাঝে বিরাজ করে সাম্য, সম্প্রীতি ও খোদাভীতি।

কেনো যেনো মনে হচ্ছে সময়ের সাথে পাল্টে যাচ্ছে পেকুয়ার চিরো চনা রূপ। বার বার বিকৃতো রূপ ফুটে উঠছে পেকুয়ার মানচিত্র। অন্যায়, জুলুম, খুন,বিচারহীনতা, সব মিলিয়ে এক নীতিহীনতার প্রতিচ্ছবি।

সবকিছুকে কলুষিতো করেছে অধিপত্যেবাদী, রাজনীতি, গনতন্ত্র। মাথা গননা করে রুচি নয় তাই সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের ভোটে নির্বাচিতোরাই জনপ্রতিনিধি।আর কোনো মাপকাঠি নাই।কথাটা গনতন্ত্রকে হেয় করে নয় খালি চোখে যা দেখেছি তাই লিখছি। ধরুন একটা নির্বাচনী এলাকায় ২০০০ ভোট আছে নির্বাচিতো হয়েছে ৫০০ ভোটে। তার বিপক্ষে জনতা আছে ১৫০০ জন। তাহলে সেতো সংখ্যা গরিষ্ঠের প্রতিনিধিত্ব করেনা তাই ঐ প্রতিনিধি কাজকর্মে জনগনের মনোবাসনা ফুটে উঠেনা। যাক আমি রাষ্ট্র বিজ্ঞানী নই বলার কথা বললাম।

এক ইউনিয়নে দেখলাম খাল দখল করে আছে জনপ্রতানবধি।
আরেক ইউনিয়নে জন প্রতিনিধি চিংড়ী ঘেরের মহিমায় খুন খারাবী, অন্য ইউনিয়নে দিন দুপুরে মেম্বার হাইজ্যাক, পাহাড় দখল,ভয়ভীতি প্রদর্শন, কোনো জায়গায় ব্যক্তিত্বহীন প্রতিনিধি বিচার করতে পারেনা। তবে তারা কেনো জবাব দিহিতার আওতায় নেই, কারন তাদের মঞ্জিলে মকছুদ আছে।সে দরগায় টাকা দিলে ম্বপ্ন ফলে যাবে।

মহা ধুমধামে সভাসমাবেশ করে দেয়া হলো প্রধান মন্ত্রীর ঈদ উপহার। প্রচার করা হলো দলীয় গরিবদের দেওয়া হবে। কিন্তু পেলো কারা আর গুটিকয়েক জন দলীয় কর্মীকে দেয়ার মাধ্যমে বাকী কর্মীদের কি অবমূল্যায়ন করা হলোনা? এখন প্রশ্ন আদর্শ লালন করলে কি কর্মী হওয়া যায়? নাকি নেতার নেক নজর।

করোনা কালীন পেকুয়াতে কর্মহীন মানুষ দুঃখে কষ্টে দিনাতিপাত করছে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা নেই।পেটের দায়ে রিক্সা নিয়ে বের হলে প্রশাসনিক খবর দারী যার প্রেক্ষিতে দু একবার মামারিও হয়েছে।

হৃদয়ের রক্তক্ষরণ হতে হতে জনতা জীবন্ত লাশ। তাই তারা বধির কিছুই বলবেনা। দু মাসের মধ্যে ৩ টি খুন এবং তা নিয়ে রাজনীতি। গডফাদার হোতা ধরা ছোয়ার বাইরে।তাদের নাকি বড় নেতার ছাতা আছে। কেউ ধরা পড়েনি।কতোটুকু সত্য জানিনা সেখানে আসামী হচ্ছে নিরীহ জনতা। তাাই বলবো খেলারামের কৌশলী খেলায় জনতা পর্যুদস্ত। যতোদিন খেলারামদের দমানো যাবেনা ততোদিন এ খেলা চলবে।

আমরা কলম সনৈনিকরা রাজনীতিক, তথাকথিত বুদ্ধিমান শ্রেণী তাদের পক্ষে সাফাই গাই। তারা যেহেতু সবকিছু টাকায় নিয়ন্ত্রণ করে তাই তাদের টাকার সবকিছু টাকায় হয়। একজন লোককে কিছু তথাকথিত ভালো মানুষেরা চর্তষ্পদ জন্তুর নাম ধরে ডাকতো। এখন মহাসমারোহে সবাই তার গৃহে উপস্থিত। তা হলে তারা কি সে আজব পাঁচ পা ওয়ালা জন্তু? সেলুকাস! বিচিত্র এদেশ। এ বুদ্ধিমান শ্রেণী ছাদেকুর রহমান ওয়ারেচীর মতো মানুষকে শান্তিতে মরতে দেয় নাাই। নিত্য ভালো মানুষদের নাজেহাল করে চলছে, তাদের কাছে কি বা আশাকরা যায়। জনতা নিরাশ এবং হতাশ জানিনা কবে ভাঙ্গবে এ জিঞ্জির। তাদের আমলনামা উপরে যেতে যেতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে ডায়। তারপর তাদের জন্য উদিতো হয় নতুন আমলনামা।

উপর থেকে শ্রদ্ধাভাজনরা আসেন বক্তৃতা লম্পজম্প করে চলে যান।শেষে সব চুপচাপ, তাদের ইশ্বরমনি দেখানো হয় তখন তাদের বিষদাত পড়ে যায়। রেলা শেষে প্রতিবাদী জনতা পড়ে রোষানলে। শাকের করাত উভয় সংকট । না পারি বাঁচতে না পারি মরতে।

এতো কথা যাক, এই মুহূর্তে দরখার কর্মহীন মানুষদের সহায়তা দেয়া। হত্যাকান্ডের ফলে যাদের পরিবার অসহায় তাদের পাশে দাড়ানো, রাজনীতিকদের সদিচ্ছা, নিজের ভিতোর মনুষ্যত্ব জাগ্রতো করা। সাদাকে সদা কালোকে কালো বলার শক্তি অর্জন। দীর্ঘদিন থেকে মাফিয়ার উত্তান হয়েছে। চুড়ান্ত ভাবে তারাই পরাজিতো হয়। এটাই নিয়তি। আমরা না হয় একটু কষ্ট পেলাম।এখন আমাদের নিয়তিকে আমাদেরকে গড়তে হরে ভিন্ন গ্রহ থেকে কেউ এসে আমাদেন সাহায্য করবেনা। মনে রাখতে হবে এদেশ আমাদের, আমরা খুন-খারাবি, পরধন হরণ, উচ্ছৃঙ্খল প্রজন্ম গড়ে আমাদের পায়ে আমরাই কুড়াল মারছি।এ ভাবে চলতে থাকলে সোমালিয়া হয়ে যাবো?

মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। ৮০ প্রজন্ম গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন। আমরা স্বাধীন জাতি। আমরা কি পারিনা একটি স্বাধীন চরিত্রবান, সত্যমননের একটি প্রজন্ম উপহার দিতে। যদি না পারি তবে আমার ধন, প্রতিপত্তি এসবতো অর্থহীন কেনো এর পিছনে দোড়াচ্ছি? অন্যায় পথে নেতা নাইবা হলাম ‘ কি হয়েছে আমি হেরেছি জিতে যাবে জাতি। আসুন আমরা বিজিতো জাতির একজন হয়ে বেঁচে থাকি।

ঈদে আনন্দের মাঝে আনন্দ আসে, নিয়ে আসে সৌহার্দ। হে খোদা সবাইকে সুখ ভাগাভাগি করার তৌফিক দান করুন। বৈশ্বিক মহামারি চলছে। সেখানে কারো হাত নেই। নিজের চেষ্টায় নিজেকে বাঁচতে হবে। মানব সভ্যতা অনেক পিছিয়েছে।শিক্ষা, বানিজ্য, সমাজ জীবনে এর প্রভাব পড়েছে। এ বোঝা নিয়ে বাঁচতে হবে এ ধরিত্রীর মানুষকে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন মাস্ক পড়ুন।

হে আল্লাহ সবাইকে সুখি করুন সবাই যেনো ভালো থাকি। ঈদ মোবারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category