• শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
বৃষ্টি-বিঘ্নিত দিনে লিড নিলো অস্ট্রেলিয়া ব্যক্তি পুলিশের অপরাধের দায় পুরো বাহিনী কখনো নেবে না : আইজিপি যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল ও সরকারি ভবনে জামাতে নামাজ আদায়ের অনুমোদন ভোট চুরি করে আবারো ক্ষমতায় যেতে দেয়া হবে না : আবদুল আউয়াল মিন্টু পাস হলো দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা ১০ জুলাই চালতেতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন-২০২২ সম্পন্ন: সভাপতি আসাদুর, সিরাজুল সম্পাদক নওগাঁ জেলায় ২০ হাজার ৪শ ২টি খামারে ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩টি কুরবানীর পশু পালিত হয়েছেঃ বাইরে থেকে আমদানীর প্রয়োজন নাই নওগাঁয় সদর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিনব কায়দায় গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ ‘মাদক থেকে বিরত থাকি সড়কে নিরাপদে চলি’

অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে ব্যবস্থা

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ৩৫ Time View
আপডেট : শনিবার, ২৮ মে, ২০২২

‘অবৈধ’ অর্থাৎ অনিবন্ধিত ও নবায়নবিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। বেঁধে দেয়া সেই সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল রোববার। এর মধ্যেও যেসব অবৈধ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হবে না, সেসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে অধিদফতর।

শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা: মো: বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে নিয়মিত আমাদের অভিযান চলছে। ৭২ ঘণ্টা শেষ হলে আমরা বসে নিবন্ধনের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, অবৈধ কতগুলো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হয়েছে, আমরা তা দেখব। এরপর সে অনুযায়ী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের সাথে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নেব।

এ পর্যন্ত কতগুলো ক্লিনিক বন্ধ হয়েছে এমন প্রশ্নে পরিচালক বলেন, রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ের পর সে তথ্য আমরা জানিয়ে দেব।

ডা: বেলাল হোসেন বলেন, সারা বাংলাদেশে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে, এতগুলো আবেদন এসেছে, এতগুলো লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, এতগুলো ওয়েটিংয়ে আছে। তবে যারা আবেদনই করেনি, তাদের তথ্য আমরা জানব কী করে?

তালিকা ছাড়া অভিযান কোনো উপায়ে পরিচালনা করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা না থাকলেও বৈধদের তালিকা জেলা সিভিল সার্জনদের কাছে রয়েছে।

তিনি বলেন, ধরুন একটি জেলায় ৫০টি নিবন্ধিত ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, সেই তালিকটি কিন্তু ওই জেলার সিভিল সার্জনের কাছে রয়েছে। এর বাইরে যেগুলো রয়েছে, সেগুলর সম্পর্কে অবশ্যই সিভিল সার্জন বলতে পারেন। সে অনুযায়ী আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। অভিযানের ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের বড় একটি ভূমিকা রয়েছে।

গত বুধবার অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মনিটরিং ও সুপারভিশন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্তগুলো হলো-
১. আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সমন্বয় করতে হবে।

২. যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিয়েছে কিন্তু নবায়ন করেনি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন না করলে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

৩. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অপারেশন করার সময় অ্যানেসথেসিয়া দেয়া ও ওটি অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ডাক্তার ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িতদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাদের লাইসেন্স দেয়ার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

উল্লেখ্য, অধিদফতরের হিসাব অনুসারে দেশে প্রায় ১১ হাজার অনুমোদিত ও আবেদন করা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি