• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

পেকুয়ায় পাহাড়ে গৃহবধূ আহত- টাকা ও স্বর্ণ লুট

পেকুয়া প্রতিনিধি / ৮০ Time View
আপডেট : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

কক্সবাজারের পেকুয়ায় এক গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ সময় ওই নারীর বসতবাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা ও ১ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা আহত ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ৫ জুন (রবিবার) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের মধুখালীর দুর্গম পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মহিলার নাম তছলিমা বেগম (৩০)। তিনি ওই এলাকার কামাল হোসেনের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে ২/৩ জনের দুবৃর্ত্তরা কামাল হোসেনের বসতবাড়িতে হানা দেয়। এ সময় কামাল হোসেনের স্ত্রীকে ওই দৃবৃর্ত্তরা শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। তারা ওই নারীকে টানা হ্যাঁচড়াসহ পাহাড়ের নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। ওই নারী সম্ভ্রম বাঁচাতে বাঁচাও বাঁচাও বলে স্বজোরে চিৎকার করছিলেন। টানা হ্যাঁচড়ার এক পর্যায়ে ওই নারীকে কিল,ঘুসি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় দুবৃর্ত্তরা বাড়িতে ঢুকে ১ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ওই স্থানে গিয়ে জখমী নারীকে উদ্ধার করে। আহত তছলিমা বেগম জানান, মধুখালীর মৃত রশিদ আহমদের পুত্র হোসেন আহমদ আমাকে প্রায় সময় কুপ্রস্তাবসহ নানান ধরনের যৌন হয়রানিমুলক আচরণ ও উত্ত্যক্ত করতো। ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে হোসেন আহমদসহ অপর ২ জন অপরিচিত লোক মুখোশ পরিহিত অবস্থায় আমার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা আমাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। আমার পরণের শাড়ি কাপড় ছিড়ে ফেলেছে। বøাউজও ছিড়ে ফেলে। পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে আমি চিৎকার করছিলাম। এরপর আমাকে কিল, ঘুসি, লাথি ও লাটি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। ঘরের ভিতর ঢুকে ১ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আমার স্বামী বাড়িতে ছিল না। তিনি ভ্যান গাড়ী চালক। গাড়ী চালাতে রাস্তায় ছিলেন। তছলিমার স্বামী কামাল হোসেন জানান, হোছন আহমদ লম্পট প্রকৃতির মানুষ। তার বিরুদ্ধে ৮/১০ টি মামলা আছে। আমার স্ত্রীকে মূলত শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে তারা আমার বাড়িতে এসেছিল। তছলিমার মেয়ে বনকানন এশাতুল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী হাদিছা বেগম জানান, আমার মাকে মারধর করা হয়েছে। গাড়ী কেনার জন্য বাড়িতে টাকা ছিল। সেগুলি নিয়ে গেছে। স্বর্ণও নিয়ে গেছে। আমার মায়ের কাপড় ছোপড় ছিড়ে ফেলেছে। স্থানীয় এলাহাদাদের স্ত্রী হাজেরা খাতুন জানান, এটি জঘন্য অন্যায়। এর আগেও তছলিমাকে একাধিকবার শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালানো হয়েছে। ফরিদ মাঝি জানান, কামাল হোসেন ৫/৬ বছর আগে এখানে এসেছে। তার স্ত্রীকে অন্যায় করা হয়েছে। মুজিবুর রহমান জানান, হোসেন আহমদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। চেয়ারম্যান জাহেদ অনেক বিচার করেছে। মামলা আছে ৮/১০ টি হোসেন আহমদের বিরুদ্ধে। পেকুয়া থানার ওসি তদন্ত কানন সরকার জানান, লিখিত অভিযোগ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো ক্যাটাগরি