• রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ব্যাংকের ঋণ শোধের টেনশনে স্ট্রোক করে মারা যান আনোয়ারা ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সল্মেলন অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় স্থানীয়দের সহায়তায় ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেফতার পেকুয়ায় রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত স্কাউটদের সংবর্ধনা লামার রিয়াজসহ বান্দরবানে ৬ কর্মকর্তা কর্মচারী পেলেন শুদ্ধারচার পুরস্কার লামা উপজেলা শ্রমিকলীগ ও পৌর শ্রমিকলীগের আহবায়ক কমিটি গঠিত! লামায় বিভিন উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি সিংড়ায় লোকালয়ে দলছুট হনুমান ডেথ রেফারেন্স মামলার শুনানিতে দীর্ঘসূত্রতা: বছরের পর বছর কনডেম সেলে মৃত্যুদণ্ডের আসামিরা ‘নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এখন শিক্ষককে পিটিয়ে মারছে ছাত্র’

নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও চার সন্তানের জননী রোকেয়া

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: / ১০৯ Time View
আপডেট : সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২

চকরিয়ার সীমাবর্তী পার্বত্য লামার ফাঁসিয়াখালী ইউপিতে নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার নিয়ে অবিবাহিত ছেলে লুতু মিয়ার হাত ধরে চার সন্তানের জননী রোকেয়া বেগম উধাও হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

গত ৩মে (বৃহস্পতিবার) শাশুড় বাড়ী থেকে বাপের বাড়ীতে বেড়া গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভূক্তভোগি স্বামী ও অভিযোগের বাদী মোঃ হোছন (৪৬) ফাঁসিয়াখালী ইউপির ২নং ওয়ার্ডের পাগলির আগা (চৌদ্দ নম্বর) এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে।
এদিকে উধাও মোঃ হোছনের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৩৬) একই এলাকার মৃত শামসুল হকের মেয়ে।

অভিযোগের বাদী মোঃ হোছন প্রতিকার চেয়ে ১৩ জুন (সোমবার) ফাঁসিয়াখালী গ্রাম আদালতে একখানা অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন।

অভিযোগের বাদী জানান,আমার স্ত্রী রোকেয়া বেগম গত ৩মে তার বাপের বাড়ীতে বেড়াতে যান।পরে আমার অজান্তে একই এলাকার মৃত পেঠানের অবিবাহিত ছেলে লুতু মিয়ার হাত ধরে ছেলেটির মা আমেনা খাতুন ও ভাই আবুল কালামের সহযোগিতায় অন্যত্রে পালিয়ে য়ায।এ খবরটি জানতে পেরে আমি শাশুড় বাড়ীতে গেলে,আমার স্ত্রী ভাইয়েরা,আমার চার ছেলে সন্তানদের আমাকে দিয়ে দেয়।তারা বলে রোকেয়া আমাদের অজান্তে রাতে কোথায় গেছে জানিনা।পরে আমি আমার অবুঝ শিশু সন্তানদের নিয়ে নিজবাড়ীতে চলে আসি।এরপর আমার ঘরে সংরক্ষিত রাখা আলমিরার তালা ভেঙ্গে চেক করে দেখি,আমার জায়গা জমি বিক্রির সাড়ে ৫লাখ টাকা,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ৪ভরি স্বর্ণালংকার নেই,রোকেয়া নিয়ে যায়।সুতরাং দীর্ঘদিন খোজাঁখুজির পরে ছেলেটিকে তাদের বাড়ীতে এসেছে খবর পায়।তখন আমি সহ এলাকার ২/১ সমার্জ সর্দা নিয়ে ছেলেটির বাড়ীতে গিয়ে তাকে ডেকে স্হানীয় পরিষদে নিয়ে আসি।
পরিষদে গেলে সরাসরি চার সন্তানের জননী নিয়ে উধাও ছেলে লুতু মিয়ার সাথে কথা হয়।এসময় লুতু মিয়া বলেন,রোকেয়া বেগমকে আমি গত ১৩মে বিয়ে করি।কিন্তু ১২মে সে তার আগের স্বামী হোছনকে তালাক প্রদান করেছে।তবে আমি স্ত্রী রোকেয়া থেকে কোন টাকা পয়সা,স্বর্ণালংকার নেয়নি।আমার দুঃখ হল,আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না দিয়ে আমাকে বাড়ী থেকে ধরে পরিষদে নিয়ে এসেছেন।এতে আমার দোষ কি?বিচার চাই!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি