• শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈলে প্রধান শিক্ষকদের মতবিনিময় ও রিটার্নস সভা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গৃহবধূর নগ্ন ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ বিশ্বে তেলের দাম কমলেও দেশে কেন কমছে না? কারণ জানালেন মন্ত্রী পেকুয়ায় অপহরনের অভিযোগ তুলে অসহায় পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ! পেকুয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দোকানীকে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ গাজায় ইসরাইলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ পিঁপড়ে গোঁ ধরেছে, উড়বেই ইসরাইলি বিমানের জন্য আকাশ উন্মুক্ত করবে না ওমান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের ডাক বিএনপির শিল্প-কারখানা এলাকাভিত্তিক এক দিন বন্ধ রাখতে প্রজ্ঞাপন জারি

পেকুয়ায় কোচিং সেন্টারে ভাংচুর ও মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

পেকুয়া প্রতিনিধি / ২৮ Time View
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কোচিং সেন্টারে ভাংচুরসহ তান্ডব চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একদল বহিরাগত দুবৃর্ত্তরা দিগন্ত কোচিং সেন্টার নামক একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেয়। এ সময় ওই কোচিং সেন্টারে ব্যাপক তান্ডব চালানো হয়েছে। এমনকি দুবৃর্ত্তরা কোচিং সেন্টারের পার্শ্বে বসতভিটায়ও ঘেরা বেড়া ভাংচুরসহ ব্যাপক ত্রাসের সৃষ্টি করে। এর জের ধরে গভীর রাতে ওই স্থানে স্থানীয়দের মাঝে হামলা ও অপ্রীতিকর ঘটনার ভয়ে আতংক ও ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। ভাড়াটে দুবৃর্ত্তরা তিন থেকে চারটি বসতবাড়িতে ডুকে ব্যাপক তল্লাশী চালায়। বাড়ি তল্লাশী, কোচিং সেন্টারে ভাংচুরসহ নিরীহ ব্যক্তিদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ২ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের আমিলাপাড়ায় ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটে। ১৫ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় পেকুয়ায় কর্মরত সংবাদ কর্মীদের উপস্থিতিতে রাজাখালী ইউনিয়নের আমিলাপাড়ার বদরুল আলমের পুত্র সবুজ বাজারের ব্যবসায়ী আবদু রহিম বলেন, ৪০ শতক জায়গা নিয়ে আমার পিতা বদরুল আলম গং ও প্রতিবেশী মৃত মাহাফুজুল করিমের পুত্র গিয়াস উদ্দিন, মাষ্টার জহির উদ্দিন গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। নজুমুদ্দিন ও সোলতান আহমদের রেকর্ডীয় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের সুত্রপাত। আর,এস ৪৩৮ নং খতিয়ানে ২ ভাইয়ের প্রাপ্ত রেকর্ডীয় অংশ ৩.২০ একর। জনপ্রতি জমির প্রাপ্ত অংশ ১.৬০ একর। রেকর্ডে ৮ আনা অংশ হারে ২ ভাইয়ের নামে আর,এসে রেকর্ড প্রচার আছে। আমরা নজুমুদ্দিনের ওয়ারিশমূলে সম্পত্তির প্রাপ্ত অংশ ভোগ করছি। একই ভাবে গিয়াস উদ্দিন গং সোলতান আহমদের ওয়ারিশ হিসেবে ৮ আনা অংশ ভোগ করছেন। ৪০ শতক জমি নজুমুদ্দিনের অংশে বিএস রেকর্ডে অসংগতি ছিল। তবে নজুমুদ্দিনের ওয়ারিশগণ সমাহারে প্রাপ্ত অংশ ভোগ করছিলেন। ৪০ শতক জমির রেকর্ড সংশোধনী নিয়ে আমরা কক্সবাজারের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে অপর মামলা বিচারাধীন। গিয়াস উদ্দিনসহ ৩৬ জনকে পক্ষভূক্ত বিবাদী করা হয়। আমার পিতা বদরুল আলম প্রকাশ বদর আলমসহ ওই মামলায় পক্ষভূক্ত বাদী ৫৪ জন। মামলাটি আদালতে এখনো শুনানীধীন। ৪০ শতকসহ আমার পিতার পৈত্রিক অংশ নজুমুদ্দিনের ওয়ারিশগণ হারাহারিভাবে ভোগ দখলে রয়েছে। বিরোধীয় ৪০ শতক জমিতে আমরা ভোগ দখলে আছি। সন সন ওই জমি থেকে ফসল উৎপাদন করি। জমির চারপাশে আমাদের ঘেরা বেড়া রয়েছে। গাছ গাছালি ও দিগন্ত কোচিং সেন্টার রয়েছে। ১৪ জুলাই গভীর রাত আনুমানিক ২ টার দিকে ২০/২৫ জনের বহিরাগত দুবৃর্ত্তরা কোচিং সেন্টারসহ বিরোধীয় স্থানে হানা দেয়। এ সময় তারা সেখানে তল্লাশীর নামে ব্যাপক লুটতরাজ চালায়। এমনকি বসতভিটায় কাঁটাতারের ঘেরা বেড়া ভাংচুর করে। জমিতে আরসিসি সীমানা পিলার ছিল। সেগুলিও তারা উপড়ে ফেলে। গভীর রাতে আমরা ত্রিপল নাইনে পুলিশ সহায়তার জন্য ফোন দিই। এরপর পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাদেরকে আইনী সহায়তাসহ অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন। ঘটনার দিন রাতে পেকুয়া থানা থেকে ১৫/২০ জনের পুলিশ সদস্যরা আমাদের বাড়িতে যান। সেখানে আমার বৃদ্ধ পিতা বদরুল আলম প্রকাশ বদর আলম ও আমার বড় ভাই আজিজ উদ্দিনকে খোঁজছিলেন। আমরা জানতে চাই, উনাদের অপরাধ কি। পুলিশ বলেছেন, এ ২ জনসহ আরো কয়েক জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা রুজু আছে। বদর আলমের পুত্র আবদুল মান্নান জানান, আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। যে কোন মুহুর্তে জানমালের ক্ষতি করতে পারে। আজিজ উদ্দিনের স্ত্রী জন্নাতুল বকেয়া জানান, তল্লাশীর নামে চরম অপমান করা হচ্ছে। আমি ভয়ে ছিলাম। আমার স্বামী অত্যন্ত নিরাপরাধ। ব্যবসা বাণিজ্য করেন। তারা বলেছেন, অস্ত্র ঢুকিয়ে দিয়ে মিথ্যা আরো মামলা দেবে। মাহাবুল আলমের স্ত্রী কাউছারা বেগম জানান, বহিরাগতরা আমার বাড়িতেও গিয়েছিল। আমার স্বামীকে পেলে নিশ্চিত তারা মেরে ফেলতেন। রাতে অপরিচিত এতগুলো লোক দেখে আমি শিউরে উঠি। গৃহবধূ রহিমা বেগম জানান, আমরা পিতার সম্পত্তির মালিক। এখানে চাঁদাবাজির কিছুই নেই। রাজা মিয়ার স্ত্রী বুলু আরা বেগম জানান, পুলিশ জনগনের জানমালের নিরাপত্তা দিবে। আমরা এ টুকু ন্যায়সঙ্গত অধিকার চাই। হোসাইন শরীফের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, বহিরাগতরা এসে আমাদের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আবদুল জব্বারের স্ত্রী তাহেরা বেগম জানান, আমার স্বামী ৭৫ বছর বয়সী। তিনি কিসের চাঁদাবাজি করেছেন। আদালতে মামলা রয়েছে। নুরুল হকের স্ত্রী নুরুন্নাহার বলেন, আমরা সাংবাদিকদের ডেকে অধিকারের কথা বলতে এখানে এসেছি। আমাদের উপর এখানে অন্যায় করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি