• শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈলে প্রধান শিক্ষকদের মতবিনিময় ও রিটার্নস সভা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গৃহবধূর নগ্ন ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ বিশ্বে তেলের দাম কমলেও দেশে কেন কমছে না? কারণ জানালেন মন্ত্রী পেকুয়ায় অপহরনের অভিযোগ তুলে অসহায় পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ! পেকুয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দোকানীকে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ গাজায় ইসরাইলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ পিঁপড়ে গোঁ ধরেছে, উড়বেই ইসরাইলি বিমানের জন্য আকাশ উন্মুক্ত করবে না ওমান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের ডাক বিএনপির শিল্প-কারখানা এলাকাভিত্তিক এক দিন বন্ধ রাখতে প্রজ্ঞাপন জারি

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া আর নেই

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ২৭ Time View
আপডেট : শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া আর নেই – ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার দিবাগত রাত (২৩ জুলাই) আনুমানিক ২টায় (বাংলাদেশ সময়) তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। প্রায় ৯ মাস ধরে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

শনিবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সংসদ সচিবালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি (পিএস টু ডেপুটি স্পিকার) মো. আব্দুল মালেক।

এ ছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তার ভাতিজা ফাহাদ রাব্বী সৈকত। তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। বিষয়টি আমি ফাহাদ রাব্বী সৈকত আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করছি।’

ডেপুটি স্পিকার দীর্ঘ ৯ মাস দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুর সময় তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা ও একান্ত সচিব তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান মার্শাল ল জারি করলে তার বিরোধিতার আন্দোলনে নেমে প্রথম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন ফজলে রাব্বী মিয়া। তখন তিনি কেবল অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে, ২০২০ সালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদ্য পরলোকগত ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম মারা যান।

মরহুম ডেপুটি স্পিকার তিন মেয়ে, নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি