• সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠান কালীগঞ্জে সাব-ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ  “মায়ের দাবী শ্বাসরোধে হত্যা” চকরিয়ায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকা ডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে বিএনপি’র নেতা আকরাম আলী খান সঞ্জুর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নির্বাচন সলড়াই জমে উঠেছে কোটচাঁদপুরে যুবদলের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সাপের কামড়ে মৃত্যু বলে প্রচার সিংড়ায় ক্যাবল অপারেটরের সংবাদ সম্মেলন

ষাড় বছরের ভোগদখলীয় বসতভিটা জমি শঠামিতে খতিয়ান করে বিক্রির পায়তারা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: / ৯৫ Time View
আপডেট : বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২

চকরিয়ার খুটাখালী ইউপির মেদাকচ্ছপিয়া মৌজার ষাড় বছরের ভোগদখলীয় বসতভিটার জমি গোপনে শঠামি করে খতিয়ান বানিয়ে বিক্রির পায়তারা চালাচ্ছেন কয়েকজন ভুমিদস্যুরা।এমন অভিযোগ করেন দখলীয় ও মূল খতিয়ানের অভিযুক্ত দাগের মালিক রমজান আলী।

ভূক্তভোগি-রমজান আলী(৫৮)উপজেলার খুটাখালী ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের হেতালিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ছেলে।

ভূক্তভোগি ভোগদখলীয় জমির মালিক রমজান আলী জানান,তৎকালিক সময়ে জমির রায়তি মালিক হাজী গুরা মিয়ার আর.এস খতিয়ান ৫৬/৬তে ১৪২একর ৮শতক জমি দাখিলা মূলে খতিয়ান হয়েছে।তৎ সময়ে সরকারী ঘোষণা মতে তিনি ১৭একর ৮শতক জমি সরকারকে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।এরপরে হাজী গুরা মিয়ার নামে পূণরায় সরকার জরিপে এম.আর ৩৮খতিয়ানে ১২৫একর জমি সৃজিত হয়।বি.এস জরিপে এসে তার নামে বি.এস ৭৬খতিয়ানে ১২৫একর জমি সৃজিত রয়েছিল।তারপরে হাজী গুরা মিয়া জীবদ্দশায় সব জমি তার নিয়ন্ত্রনে ছিল,দেখাশুনা করতেন।এমতাবস্থায় তিনি গত ১৯৭৭সালের ২২সেপ্টেম্বর মারা যান।তখন তার ওয়ারিশ ছিল ১২জন।ওয়ারিশেরা জমি বিক্রি করতে থাকে।এসময় অন্য ওয়ারিশেরা বোন মমতাজ বেগমকে জমি থেকে বাদ দিয়ে নিষ্ক্রিয় করে।তখন মমতাজ বেগম ওয়ারিশ হিসেবে জমি দাবী করায় অন্য ওয়ারিশেরা তার বিরুদ্ধে (বিবাদী) আদালতে মামলা দায়ের করেছিল,যার মামলা নং-১৬২/৯৩ইং ও ১৪৪/৯৪ইং।মমতাজ বেগম স্বপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে মামলা দুইটি খারিজ করেছিল।এরপরে মমতাজ বেগম নিজেই বাদী হয়ে অন্য ওয়ারিশদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছিল,যার মামলা নং-৮১/৯৪ইং।উক্ত মামলাটি স্বপক্ষে দালিলিক প্রমাণে তার পক্ষে রায় ডিগ্রী হয়।এতে করে মাঝের ঘোনা থেকে মমতাজ বেগম ৬একর ৫৩শতক জমি প্রাপ্ত হয়েছিল।তার প্রাপ্ত জমির বি.এস দাগ নং-২০৫৪,২০৯২,২০৯৩,২০৯৪,২০৪১,২০৪৬,২০৪৭,২০৪৪।এরপরে আদালত থেকে রায় ডিগ্রীতে প্রাপ্ত জমি ৬একর ৫৩শতক আমি মমতাজ বেগম ও তার ওয়ারিশ থেকে সম্পূর্ণজমি আমি ক্রয় করি।
উক্ত জমি ক্রয় করার পূর্বে থেকে আমার পিতা আব্দুর রহমান তাদের বর্গাচাষা হিসেবে ভোগদখলে ছিলেন।সেই থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত আমাদের ভোগদখলে জমিগুলো আছেন।এরমধ্যে গত কয়েকমাস আগে আমার ভোগদখলীয় ক্রয়কৃত জমির বি.এস ২০৯২দাগটি শঠামি ও হয়রানিমূলক অন্যের নামে ৬২১সৃজিত খতিয়ানে অন্তভূক্ত করেছে।পরে আমি জানতে পেরে আমার ডকুমেন্ট দিয়ে গত ৩১জুলাই জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট আবেদনের মাধ্যমে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে,গত ১আগষ্ট চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিষ্টার মহোদয়ের কাছে আপত্তি মূলক দরখাস্ত প্রেরণ করি।কারণ আমার জমি যেন অন্যের নামে গোপনে দলিল না হয়।এতে আমার মালিকানার সব ডকুমেন্ট সাবমিট করেছি।সুতরাং এবিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি বলে জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি