• সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠান কালীগঞ্জে সাব-ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ  “মায়ের দাবী শ্বাসরোধে হত্যা” চকরিয়ায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকা ডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে বিএনপি’র নেতা আকরাম আলী খান সঞ্জুর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নির্বাচন সলড়াই জমে উঠেছে কোটচাঁদপুরে যুবদলের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সাপের কামড়ে মৃত্যু বলে প্রচার সিংড়ায় ক্যাবল অপারেটরের সংবাদ সম্মেলন

আবারো বিতর্কের কেন্দ্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: বক্তব্যে অনড় এ কে আব্দুল মোমেন

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ২৮ Time View
আপডেট : শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২

চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার দেয়া বক্তব্য নিয়ে গতকাল দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারতকে অনুরোধ করা নিয়ে দেয়া বক্তব্য পরিষ্কার করতে এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, আমরা চাই শেখ হাসিনার স্থিতিশীলতা থাকুক। এই ব্যাপারে আপনারা (ভারত) সাহায্য করলে আমরা খুব খুশি হবো।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে।’ এ বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কালকে (বৃহস্পতিবার) আমি যে জিনিসটা বলেছি, শেখ হাসিনা, উনি আছেন বলেই আমাদের দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। উনি আছেন বলেই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে। আমি বলেছি, বঙ্গবন্ধু পৃথিবীর মধ্যে একটি দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন, যে অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুললে সবার মঙ্গল হয়। আর এ দেশে যত নাগরিক আছে, সে যেকোনো ধর্মের হোক, তার সমান অধিকার। সে বাঙালি, আমাদের বাংলাদেশের নাগরিক। আর আমি বলেছি, শেখ হাসিনা যদি সরকারে থাকেন, তাহলে স্থিতিশীলতা থাকে।

ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলাপচারিতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ভারতে গিয়ে আমি যেটা বলেছি, আপনাদের আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, শেখ হাসিনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেন? উনি বললেন, শেখ হাসিনার সেই জিরো টলারেন্স টু টেরোরিজম (সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা) এটা ঘোষণার পরে। দ্বিতীয়ত. উনি বলেছেন, বাংলাদেশ ক্যান নট বি অ্যা হাব ফর টেরোরিস্ট (বাংলাদেশ সন্ত্রাসীদের আস্তানা হতে পারে না)। এরপর আসাম, মেঘালয়- সব ক’টি জেলায় (রাজ্য) আর সন্ত্রাসী তৎপরতা নেই। সন্ত্রাসী তৎপরতা না থাকায় তাদের দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। উনি বললেন, আমার এখানে বহু হাসপাতাল, বহু ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগ) আসছে। যেহেতু এখন আমাদের এই আসামে কোনো সন্ত্রাসী নেই, এই জন্য শেখ হাসিনা, তার আহ্বানে এটা হয়েছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, কিছু কিছু লোক সময়-সময় অনেক উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে। আপনার (ভারত) দেশেও কিছু দুষ্টু লোক আছে, আমার দেশেও দুষ্টু লোক আছে। তারা তিলকে তাল করে। আপনার (ভারত) সরকারের একটা দায়িত্ব হবে এবং আমার সরকারেরও দায়িত্ব আছে যে তিলকে তাল করার সুযোগ সৃষ্টি না করে দেয়া। আমরা যদি এটা করি, তাহলে আমাদের এই সম্প্রীতি থাকবে। আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের আনসার্টেনিটি, অস্থিরতা থাকবে না। আমি বলেছি, …আমরা চাই শেখ হাসিনার স্থিতিশীলতা থাকুক। এই ব্যাপারে আপনারা (ভারত) সাহায্য করলে আমরা খুব খুশি হবো।’

এ সময় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের লক্ষ্য যে আমরা সস্তায় অ্যাফোর্ডেবল প্রাইসে প্রত্যেককে খাবার দিতে চাই। তাদের জীবনমানের উন্নয়ন করতে চাই। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আমরা দেখতে চাই না, অস্থিরতা দেখতে চাই না। কিন্তু আপনাদের মিডিয়া-টিডিয়া অনেক সময় এই অস্থিরতা বাড়ানোর জন্য অনেক বানোয়াট খবরটবর দেয়। এটা খুব দুঃখজনক।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি