• শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

ঈশ্বরদীতে মরণ নেশার কবলে যুব সমাজ , পুলিশ প্রশাসন নীরব!

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রতিনিধি: / ১২২ Time View
আপডেট : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

ঈশ্বরদীর বাবুপাড়া, ব্লাকপাড়া, লোকোসেড ও মাজগ্রাম স্টেশন এলাকা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে, বিভিন্ন গ্রামে আবারো নতুন করে খুলতে শুরু করেছে মাদকের বাজার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ সমস্ত মাদকের মধ্যে রয়েছে বাংলা মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ ইন্ডিয়ান নামী দামী ব্র্যান্ডের আরো অনেকনাম না জানা মাদক। আর এ সমস্ত মরণ নেশা মাদকের কবলে পড়ে ধবংস হতে চলেছে এলাকার যুব সমাজ । যুব সমাজে নেমে এসেছে নৈতিক অবক্ষয়।

অনেক মাদক সেবীরা মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে না পেরে লিপ্ত হতে চলেছে চুরি,ডাকাতির মত বিভিন্ন অপরাধ মুলক কাজে। এতে করে বাড়তে শুরু করেছে নানা অপরাধ প্রবনতা। মাদকের টাকার জন্য অনেকেই আবার মা বাবার সাথে করছে অমানবিক ব্যবহার।

কেহ কেহ আবার মা বাবাকে করছে শারীরিক ও মানসিক ভাবে লাঞ্চিত। লোক লজ্জার ভয়ে অনেক মা বাবাই নীরবে সহ্য করে যাচ্ছে মাদকসেবী সন্তানের এমন অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন।

ঈশ্বরদীতে উল্লেখ যোগ্য যে সমস্ত ওয়ার্ড, ইউনিয়নে মাদকের বাজার গড়ে উঠেছে সে অঞ্চল হলো- বাবুপাড়া, ব্লাকপাড়া, লোকোসেড, তিনতালা, মাজগ্রাম স্টেশন এলাকা, রুইগাড়ি এলাকা, শৈলুপাড়া দুই লাইনের মাঝে, বেনারসি পল্লী এলাকা, লোকসেড টাংকির মোড় এলাকা, নিউ কলোনি এলাকা সহ বিভিন্ন গ্রাম -গঞ্জে এখন বখাটে যুবকেরা মাদক সেবনে আসক্ত হয়ে পড়েছে।

এসব এলাকার মধ্যে সব থেকে দুটি এলাকায় ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, ব্ল্যাকপাড়া ও লোকোসেড এলাকা।

এসব এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেখা যায়, বখাটে যুবকদের আনাগোনা। মাদকদ্রব্য নিয়ে চলাচল করলেও পুলিশের তেমন কোন টহল দেখা যায়না। সেই কারনে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বিক্রি ও সেবন করে চলেছে। এর মধ্যে অনৈতিক কর্মকান্ড দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব‍্যবসায়ীরা অভিনব কায়দায় ও লোক বল দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে মাদকের আখড়া গড়ে তুলেছে অথচ মাদক সম্রাটরা থেকে যাচ্ছে প্রশাসনের ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

বেনারসি পল্লী এলাকার এক চায়ের দোকানদারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এর নারী-নক্ষত্রের খবরাখবর পুলিশ প্রশাসন জানেন অথচ কেন যে নীরব ভূমিকা পালন করছেন তা আমার জানা নাই।

মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের কি ভুমিকা রয়েছে জানতে চাইলে, ঈশ্বরদী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান , জনগণের সাথে মিশে সহজে খোঁজ খবর নেয়ার উদ্দেশ্যেই বিট পুলিশিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা পুলিশ অফিসার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো ক্যাটাগরি