• সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠান কালীগঞ্জে সাব-ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ  “মায়ের দাবী শ্বাসরোধে হত্যা” চকরিয়ায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকা ডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে বিএনপি’র নেতা আকরাম আলী খান সঞ্জুর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নির্বাচন সলড়াই জমে উঠেছে কোটচাঁদপুরে যুবদলের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সাপের কামড়ে মৃত্যু বলে প্রচার সিংড়ায় ক্যাবল অপারেটরের সংবাদ সম্মেলন

ফ্রি অপারেশন সহ চিকিৎসা সেবায় একধাপ এগিয়ে চকরিয়ার ইউনিক হাসপাতাল

জিয়াউল হক জিয়া, চকরিয়া / ৩৪ Time View
আপডেট : রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্হিত ইউনিক হাসপাতাল। হাসপাতালটি ২০১৫ সালের ১লা মে মাসে ৫তলা বিশিষ্ট ভবন নিয়ে চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। সেই থেকে সুনামে সাথে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা জটিল-কঠিন রোগের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।
ফলে চকরিয়া, পেকুয়া, লামা, আলীকদম সহ কক্সবাজার জেলাজুড়ে হাসপাতালের বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।

গত শুক্রবার সারাদিন বার্ণ,প্লাষ্টিক ও কসমেটিকস সার্জারি ডাঃ কামরুজ্জামান গরীর, অসহায় ঠোঁটকাটা রোগীদের ফ্রি অপারেশন করে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন। যে কারণে চকরিয়া ইউনিক হাসপাতালের সুনাম রোগীদের মুখে-মুখে, বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

চিকিৎসা সেবার সুনাম শুনে কর্তপক্ষের অজান্তে হাসপাতালে যাওয়া হয়। এসময় ভর্তি রোগী সহ ফ্রিতে অপারেশন করা কয়েকজন রোগীদের সাথে কথাবলি।জানতে চাওয়া হয়-ফ্রি অপারেশন বা রোগ নির্ণয়, অকারণে হাসপাতালে রোগী ভর্তি নামে হয়রানিমূলক অতিরিক্ত টাকা-পয়সা আদায় করা হচ্ছে কিনা? নাম প্রকাশে অইচ্ছুক রোগীরা জানান,ঠোঁটকাটা রোগীদের কে বিনা টাকা-পয়সায় অপারেশন করা হয়েছে।রোগীরা শুধু ওষুধগুলো বাহির থেকে কিনে সেবন করবেন। এখানকার কোন ডাক্তারেরা অকারণে কোন রোগীকে রোগ নির্ণয় নামে পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেন না। এছাড়া রোগীর অমতে কিংবা অপ্রয়োজনে সাধ্যের বাহিরে কোন রোগীকে ভর্তিও দেয়নি। এই কারণে বলছি,আমি ২দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি। তিনদিনের মাথায় সুস্হতা অনুভব করি। আমার শারিরীক অবস্হার উন্নতি দেখে ডাক্তারেরা আমাকে রিলিজ করেছেন।যাওয়ার সময় হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাছে গেলে, আমাকে সন্তুষ্ট জনক টাকা ছাড় দেন।এইটি মানবিকতার এক দৃষ্টান্ত।

এবিষয়ে হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আখতার আহমদের অফিস কক্ষে অনুমতিতে প্রবেশ করি। হাসপাতালে কোন-কোন রোগের চিকিৎসা সেবা দেওয়া।রোগী ভর্তি সিটের সংখ্যা ও নার্সের সংখ্যা কত? জবাবে তিনি জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৫জন আবাসিক ডাক্তার রয়েছেন।তারা হলেন, নবজাতক ও শিশুরোগের বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন, হাঁড়, জোড়া, বাত-ব্যথা বিকলম্ব ও অর্থোপেডিক্স সার্জন ডাঃ মোঃ মাহমুদুল আমিন, বিশেষজ্ঞ গাইনী সার্জন ডাঃ শাহানা আকতার, শিশুরোগের বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও ডায়াবেটিস রোগের বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ এম আরাফাতুল ইসলাম নয়ন।

এছাড়াও প্রতিমাসে নির্দিষ্ট সময়ে দেশের নাম করা হাসপাতাল থেকে যে আসেন।তারা বার্ণ,প্লাষ্টিক ও কসমেটিকস সার্জন-ব্রেইন,মেরুদণ্ড রোগে বিশেষজ্ঞ স্পাইনাল ও নিউরোমেডিসিন-জেনারেল ল্যাপরোস্কপিক, কিডনি, মুত্রতলী ও মুত্রনালী সার্জন, মেডিসিন, হৃদরোগ, বক্ষব্যধি, ডায়াবেটিস, বাত-ব্যথা ও নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ-হৃদরোগ, মেডিসিন ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ-প্রসূতি ও গাইনী সার্জন-নাক,কান,গলা ও হেডনেক সার্জন-মেডিসিন ও রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ও চর্ম,এ্যালার্জি, দাগ,বর্ণ,ফুসপড়া কুষ্ঠ, সেক্স ও যৌন রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরা রোগী দেখেন।

তাছাড়া ডিপ্লোমাধারী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ল্যাব টেকনিশিয়ান দ্বারা সকল প্রকার টেষ্ট করা হয়।তৎমধ্য অত্যাধুনিক কালার ডপলার মেশিনে আল্ট্রাসনোগ্রাফী ও ইকোকার্ডিওগ্রাফী, ডিজিটাল এক্সরে করা হয়। যা অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতালের তুলনায় বেশী ছাড় দিয়েই রোগীদের সেবায় নিয়োজিত আছি। হাসপাতালে রোগী ভর্তি ক্যাপাসিটি সিট-৪০টি, নার্সের সংখ্যা-২৪জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো ক্যাটাগরি