• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
চকরিয়ায় ইজিপিপি প্রকল্পে শ্রমিকের হাজিরা নিয়ে গরমিলের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সিংড়ার সেই আদর্শ গ্রাম হুলহুলিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আটক যুবক চকরিয়ায় মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ সিংড়ায় ২৮ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক পেকুয়ায় ৯ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা বদরখালীতে তিনজনকে ধরে নিয়ে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ; চকরিয়া আদালত ও উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ-মানববন্ধন পেকুয়া চৌমুহনী ব্যবসায়ী সমিতির যানজট ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা চকরিয়ায় বসতভিটা দখলের চেষ্টা, বেড়া ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ চকরিয়ায় অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সিংড়ায় কৃষি জমিতে কচুরীপানা অপসারণ শুরু

চকরিয়ায় উচ্ছেদের পর মুরগির খামারে আগুন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি / ৫১ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মিত মুরগির খামারের অর্ধেক অংশ উচ্ছেদের পর অবশিষ্ট অংশে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাংয়ের ভান্ডারির ডেবা এলাকায় সেগুনবাগানসংলগ্ন সংরক্ষিত বনভূমিতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হারবাং বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে ওই এলাকায় মুরগির খামারটি নির্মাণ করা হয়। শনিবার দিনের বেলায় বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে খামারের প্রায় অর্ধেক অংশ উচ্ছেদ করে। একই সঙ্গে অবশিষ্ট অংশ রাতের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয় খামার মালিক মোজাহের আহমদকে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই রাতেই কে বা কারা খামারের অবশিষ্ট অংশের চালে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্থাপনার বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের পর খামার মালিক নিজেই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারেন। তাঁদের ধারণা, ঘটনার দায় অন্য কারও ওপর চাপানোর উদ্দেশ্যে এমনটি করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
খামার মালিক মোজাহের আহমদ বলেন, ‘সকালে বন বিভাগের লোকজন এসে আমার খামারের অর্ধেক ভেঙে দেয়। বাকি অংশে মুরগি উঠানোর পরিকল্পনা করেছিলাম। রাতে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে তা পুড়িয়ে দিয়েছে। ব্যাংক থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে খামারটি করেছিলাম। এখন আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।’ তিনি ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান।
হারবাং বনবিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মাণ করা স্থাপনার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখানে ফলদ গাছের চারাও রোপণ করা হয়েছে। বাকি অংশ রাতের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল মোজাহের আহমদকে। আগুন লাগার বিষয়টি তদন্ত করে এর প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হবে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, সরকারি বনভূমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা একটি খামারের চালে রাতের আঁধারে আগুন দেওয়ার ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা