• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
/ লেখালেখি
বদরুল ইসলাম বাদল ———- শীত কালকে “বিয়ের মৌসুম” বলা হয়ে থাকে।বাঙালিদের সবচেয়ে আনন্দের অনুষ্ঠান বিয়ে । বছরের অন্যান্য সময়েও কমবেশি বিয়ে হয়। কিন্তু শীতকালীন সময়েই বিয়ের মহাউত্সবের আসর জমে বেশি।বিয়ে আরো সংবাদ
লেখক -বদরুল ইসলাম বাদল —————- পৃথিবীতে যত নিষ্ঠুরতম হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের হত্যাকান্ড সবচেয়ে জঘন্য।যুগে যুগে রাজনৈতিক হত্যার  বহু কাহিনী ইতিহাসকে কলুষিত করে আছে  ।ইতিহাস রচয়িতাদের অভিমত,
বদরুল ইসলাম বাদল —————————- তিনিই পত্রিকার হকার, কাক ডাকা ভোরে ঝড় বৃষ্টি কিংবা প্রচন্ড শীতে জুবুথুবু হয়ে কাগজে করে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের সব খবর মানুষের হাতে তুলে দেন,তাকেই  হকার, হকার আঙ্কেল
বদরুল ইসলাম বাদল ——– পৃথিবী আজ বহুমুখী সমস্যায় নিমজ্জিত । মানুষে মানুষে সংঘাত, বিবাদ, হানাহানি  যুদ্ধ-বিগ্রহে মনুষ্যত্ব ভূলন্ঠিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।সম্পদের অব্যবস্থাপনায়  অসম বন্টনের নীতিমালাতে ক্ষুধা ও দারিদ্র নিয়ে  মানুষের  আহাজারি
– নিকোলাস বিশ্বাস   আমরা সবাই জানি ‘মানুষ’ সৃষ্টির সেরা জীব। আমাদের পাশাপাশি এ পৃথিবীতে আরো রয়েছে পশুপাখি, গাছপালা সহ নানাবিধ প্রাকৃতিক সম্পদ। এ পৃথিবীতে আমরা আমাদের চারিপাশে যা কিছু দেখি তার প্রায় সবকিছুই আমাদের মহান স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন। এই স্রষ্টাকে কেউ আমরা ঈশ্বর বলি, কেউ আল্লাহ্ বলি আবার কেউ ভগবান বলে ডাকি। আমরা তাকে যে নামেই অভিহিত করি না কেন আসলে তিনি একজনই। নানা জনের নানা মত। এতে অবশ্য দোষের কিছু নেই। মানুষ স্রষ্টাকে যে নামে ডেকে সন্তুষ্ট হতে চায় সৃষ্টিকর্তাও তাতে খুশি। এখানে মুখ্য বিষয হলো; আমরা আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি কিনা! যদি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি তাহলে অবশ্যই আমাদের উপর একটা বিশেষ দায়িত্ব বর্তায়। তাহলে সে দায়িত্বটা কি? আসলে এটা নিয়েই আজ আমি এখানে কিছু বলার চেষ্টা করছি। এটা একান্তই ব্যক্তিগত ভাবনা ও আলোচনার প্রয়াস।   প্রথমেই বলেছি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এই সেরা কথাটির গুরুত্ব বজায় রাখাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে মানুষের বাইরে আরও লক্ষ লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে, রয়েছে পশুপাখি। উদ্ভিদজগতের প্রায় সকলেই নড়াচড়া ও কথা বলতে পারে না। অন্যদিকে পশুপাখি নড়াচড়া করতে পারলেও মানুষের মত এতটা বুদ্ধিবৃত্তিক নয়। এরা নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান করতে পারে বটে কিন্তু মানুষের মত কথা বলতে পারে না। তাহলে এখানে আমরা যেটা বুঝতে পারলাম সেটা হলো আমাদের চারিপাশে যে উদ্ভিদ ও পশুপাখি রয়েছে তাদের অবস্থা অনেকটা সদ্যোজাত মানব শিশুদের মত যারা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে কয়েক বছর অসহায় অবস্থায় থাকে। নানা প্রয়োজনে অবুঝ শিশুদের পিতা-মাতা সহ অন্যদের উপর নির্ভর করতে হয়। তাদের এই নির্ভরশীলতা আছে বলেই পিতা-মাতাসহ সংশ্লিষ্টদের বিশেষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হয়। এই ভূমিকা পালনে ব্যতয় ঘটলে শিশুরা বিপদে পড়ে; তাদের স্বাস্থ্যহানি ঘটে; কখনো কখনো মৃত্যুও ঘটে যায়।   আমাদের চারিপাশে মানুষ ব্যতীত যে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল রয়েছে তারা আমাদের ঘরের শিশুদের মতোই অবুজ ও পরনির্ভরশীল। শিশুদের মত যত্ন যদি আমরা তাদের না দিই তাহলে তারাও যথাযথভাবে বেড়ে উঠতে পারে না; ফুলে-ফলে শোভিত হয় না। মজার ব্যাপার হলো যে, মানব জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকে এই উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের বদান্যতার উপরই। এটা অনেক সময়ই আমরা বুঝে উঠতে পারি না অথবা বুঝলেও তাদের প্রতি যা যা করণীয় তা করার জন্য চেষ্টা করি না।   আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত সারাদিনের খাওয়া-দাওয়া সহ যত রকমের কর্মকাРআমরা সম্পাদন করি তার প্রতিটি পরতে পরতে উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতে মানবজাতি এক মুহূর্তের জন্যেও এ পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে না। উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের কাছ থেকে খাদ্যশস্য ও ভেষজপথ্য ছাড়াও আমরা প্রতি মুহূর্তে আমাদের দেহের শ্বাসতন্ত্র দিয়ে যে অক্সিজেন গ্রহণ করি তা কিন্তু এই উদ্ভিদ থেকেই পেয়ে থাকি। অক্সিজেন গ্রহণ করে আমরা যে দূষিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শরীর থেকে নির্গমন করি তা আবার এই উদ্ভিদই নীলকণ্ঠীর মত গ্রহণ করে আমাদের জন্য অক্সিজেন উৎপাদন করে। এভাবে উদ্ভিদ বায়ূমণ্ডলে গুণগত ভারসাম্য বজায় রাখে।   স্রষ্টার সৃষ্টির যতেœর ক্ষেত্রে মানবজাতিকেই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয়। আগেই বলেছি যে, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু আমাদের বর্তমান বাস্তবতা কি বলে। আমরা কি সত্যিই এই গুরুদায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারছি! আসলে এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমরা স্বার্থপরের মতো আচরণ করছি! এই স্বার্থপরতার ফল হতে পারে মারাত্মক যা আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলতে পারে। এমন এক সময় আসবে যখন এ থেকে উত্তোরণের কোন পথ আর খোলা থাকবে না। এই পরিণতির কিছুটা এখন আমরা প্রত্যক্ষ করতে শুরু করেছি এবং কোথাও কোথাও নিজেরা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েও যাচ্ছি। বিশ্বব্যাপী আমরা কিছু কিছু বিপর্যয় লক্ষ্যও করছি। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত বিশ্ব সর্বত্রই স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি বিশেষতঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীকুলের প্রতি অবিবেচনাপ্রসূত আচরণ প্রতিদিনই সংগঠিত হচ্ছে।   ব্যক্তির ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত বন উজাড় করছি, অধিক ফসল ফলানোর জন্য মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছি, জলজ-স্থলজ পশুপাখি ও মৎস্য সম্পদ নির্বিচারে ধ্বংস করছি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে যাচ্ছেতাই কার্যকলাপ সাধন করছি। এরূপ কার্যকলাপ ও আচরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের অনাগত ভবিষ্যতকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছি। এর ফল ভোগ করতে হবে আমাদেরই বংশধরদের। আমাদের এহেন আচরণে ব্যক্তি বা সমাজ অথবা রাষ্ট্র কারোরই কোন ভ্রূক্ষেপ নেই; নেই কোনো দায়বদ্ধতা। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ দায়িত্বটুকু পালন করা কিন্তু বাস্তবে আমরা অধিকাংশই অবলীলায় গা ভাসিয়ে চলছি। এর খেসারত আমরা দিতে শুরু করেছি মাত্র।   ক্লাইমেট চেঞ্জ অর্থাৎ জলবায়ুর পরিবর্তন হওয়ার কারণে পৃথিবীর বহু দেশ চরম মূল্য দিতে শুরু করেছে। এখন আমরা প্রায়ই বিশ্ব গণমাধ্যমে দেখছি যে, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া সহ উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোতে সময়ে অসময়ে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ঘনঘন অতিমাত্রার বজ্রপাত, আগুনে পুড়ে বন উজাড় হয়ে যাওয়া, কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধিজনিত কারণে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জমে থাকা বরফ গলে যাওয়া সহ পানির উচ্চতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ কারণে পৃথিবীর বহু নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে যাচ্ছে। শুকনো ভূমির অভাবে অসংখ্য মানুষ আজ বানভাসী।   স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি যদি আমরা যত্নশীল হতাম এবং দায়িত্ব¡শীল ভূমিকা পালন করতে সক্ষম
বদরুল ইসলাম বাদল           দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।এই অর্জনের কৃতিত্বের দাবীদার কৃষক সমাজ।এই ভূমিযোদ্ধারাই আমাদের দেশের  অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি । অথচ  চালিকাশক্তির কৃষকরা দুর্ভোগ, অবজ্ঞা,   অবহেলার  স্বীকার  সবচেয়ে বেশি।করোনা পরবর্তী
বদরুল ইসলাম বাদল বৃষ্টি ছাড়া এই মৌসুমের বর্যা  নিরবে শেষ হল। ষড়ঋতুর এই দেশে  বৃষ্টির পানিতে ফসল ফলায় কৃষক ।কিন্তু এই মৌসুমে  কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি আসে নাই।অনেক   মৌসুমে বর্ষাকালে  ভারী বৃষ্টিপাতে  
লেখক -বদরুল ইসলাম বাদল          বিখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক হেমিংওয়ে স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় বলেছিলেন, জীবনের সব সৌভাগ্য এবং বঞ্চনা প্রতিদিনের ঘটনার মাধ্যমেই থাকে। সে গুলো কখনো আমরা নিরাসক্ত খবর হিসেবে