সুস্বাস্থ্যের জন্য দরকার ভেজালমুক্ত খাবার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বিবিসি একাত্তর বিবিসি একাত্তর

প্রকাশক বিবিসি একাত্তর

প্রকাশিত: ৫:২৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

দেশের মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য যেমন হাসপাতাল ও চিকিৎসার মান উন্নয়ন দরকার, তেমনি ভেজালমুক্ত খাবারও প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সহ স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ডিএসসিসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যেমন হাসপাতাল তৈরি করতে হবে, চিকিৎসার মান উন্নয়ন করতে হবে তেমনি মানুষকে বিশুদ্ধ ও ভেজালমুক্ত খাবার দিতে হবে। কারণ মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশুদ্ধ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে তার ইমিউনিটি সিস্টেম যে কোন ভাইরাসকে সহজেই দমন করতে পারে। আর মানুষের ইমিউনিটি নির্ভর করে ফুড সাইকেলের ওপর। খাদ্যে ভেজাল থাকলে মানুষ সহজেই ছোট-খাটো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে অধিকাংশ মানুষ প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ায় তাদের ইমিউনিটি কমে গিয়েছিল। ফলে যুদ্ধের চাইতেও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ছোট-খাটো ভাইরাসের আক্রমণে যুদ্ধের চেয়েও অনেক বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারটিকে ইউরোপীয় দেশগুলোর মতো উন্নতমানের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই পরীক্ষাগার নগরবাসীকে ভেজালমুক্ত খাবার সরবরাহ করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তাজুল বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংসভাবে হত্যা করার পর স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে এই দেশ বার-বার ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই ক্ষত-বিক্ষত অবস্থা থেকে দেশকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে নিয়ে এসেছেন। শিক্ষা, খাদ্য ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করে তিনি দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

এডিবির অর্থায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ‘আরবান পাবলিক এন্ড এনভায়নমেন্টাল’ প্রকল্পের অধীনে দেশের সাতটি সিটি কর্পোরেশনে আধুনিক এই খাদ্য পরীক্ষাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।