• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পেকুয়ায় ৩১ তরুণের উদ্যোগে ‘মাতৃভূমি কল্যাণ পরিষদ’-এর আত্মপ্রকাশ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ইলিশিয়া গরুর বাজার চালানোর অভিযোগ মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পেকুয়ায় ৩১ তরুণের উদ্যোগে ‘মাতৃভূমি কল্যাণ পরিষদ’-এর আত্মপ্রকাশ লামা-চকরিয়া সড়কে মোটরসাইকেল-চান্দের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২ ওযু করতে গিয়ে পা পিছলে আহত ইমাম, ভাঙা সড়কের কারণে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু চকরিয়ার হারবাং অভয়ারণ্যে বনভূমি দখলের মহোৎসব, গাছ নিধন ও পাহাড় কাটার অভিযোগ জাতিসংঘে বিশ্ব যুব সম্মেলনে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী একমাত্র প্রতিনিধি তামরিন পেকুয়ায় আলভী-মনোয়ারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ লাঠিয়াল বাহিনী নয়, জনতার পুলিশ গড়ার প্রত্যয়: পুলিশ সুপার গরু ক্ষেতে ঢুকায় চৌগাছায় নারীকে পিটিয়ে আহত, থানায় অভিযোগ

পাহাড়ি ঢলে চকরিয়ার হারবাং নোয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত, স্থায়ী বাঁধের দাবি

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি / ২৪৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের হারবাং নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। খালের পাড় ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করায় ধসে গেছে বিদ্যালয়ের মাঠ, সীমানা প্রাচীর, শহীদ মিনার এবং যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি। এতে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাঁধ নির্মাণে বাধা ও আশ্রয়কেন্দ্রে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

বন্যার ভয়াবহতার মাঝে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনার কিছু গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী:

অস্থায়ী বাঁধে বাধা: স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের পানি যখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, তখন তারা ভাঙন ঠেকাতে বিদ্যালয় মাঠ থেকে কিছু মাটি নিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা করেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম এতে বাধা দেন। ফলে পানির প্রবল স্রোতে মুহূর্তেই খালের পাড় ভেঙে পুরো এলাকায় বন্যা ছড়িয়ে পড়ে।

আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্ভোগ: ঢলের পানিতে বহু ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও গবাদিপশু ভেসে যাওয়ার উপক্রম হলে স্থানীয়রা এই বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রে ছোটেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, আশ্রয়কেন্দ্রের শুধু নিচতলায় গবাদিপশু রাখার অনুমতি মিললেও, সাধারণ মানুষের জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা উন্মুক্ত করা হয়নি। ফলে চরম দুর্যোগের মুহূর্তেও অনেক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রের প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র: খালের পাড় ভাঙার ফলে শুধু বিদ্যালয়ই নয়, বরং আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়ি, বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি, গবাদিপশু ও গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধের জোরালো দাবি
​ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মতে, সাময়িক জোড়াতালি দিয়ে এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। খালের পাড়ে দ্রুত একটি স্থায়ী ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা না হলে আগামীতে সামান্য বৃষ্টি বা ঢলে পুরো স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

জনস্বার্থে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা