• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
Headline
চকরিয়ার হারবাং অভয়ারণ্যে বনভূমি দখলের মহোৎসব, গাছ নিধন ও পাহাড় কাটার অভিযোগ জাতিসংঘে বিশ্ব যুব সম্মেলনে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী একমাত্র প্রতিনিধি তামরিন পেকুয়ায় আলভী-মনোয়ারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ লাঠিয়াল বাহিনী নয়, জনতার পুলিশ গড়ার প্রত্যয়: পুলিশ সুপার গরু ক্ষেতে ঢুকায় চৌগাছায় নারীকে পিটিয়ে আহত, থানায় অভিযোগ চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা পেলেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী চকরিয়ার বিমানবন্দর পাড়া সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার, দ্রুত সংস্কারের দাবি বরইতলী ফয়জুল উলূম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আব্দুস সালাম ইন্তেকাল সৌদিতে ওমরাহ পালনের পথে সড়ক দুর্ঘটনা, একই পরিবারের তিন বাংলাদেশির মৃত্যু মাতামুহুরীর কোনাখালীতে কয়েকশ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

চলনবিলে পানির নিচে তলিয়ে গেছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

সুজিত সাহা ( সিংড়া) প্রতিনিধিঃ / ৯৫ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

নাটোরের সিংড়া চলনবিল অঞ্চলে কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণে আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। এতে বেরাবাড়ি ও সাপগাড়ি এলাকায় প্রায় ৮ হাজার বিঘা জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিতে তলিয়ে থাকা ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। একদিকে ফসল রক্ষা, অন্যদিকে সময়মতো ধান কাটার চাপ সব মিলিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র শ্রমিক সংকট। যে অল্পসংখ্যক শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে, তাদের প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এতেও ধানের ন্যায্য না পাওয়ার অভিযোগ করেন কৃষকেরা। রেজমিনে বিলের ভেতরে গিয়ে দেখে, কৃষকরা পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী ভেলা তৈরি করে পানির ওপর ভাসিয়ে ধান কাটছেন। কাটা ধান ভেলায় করে খালপাড়ে নিয়ে আসছেন তারা। জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়েই এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দিন-রাত। বেড়াবাড়ি গ্রামের কৃষক ৭০ বছর বয়সী আব্দুল রহমান বলেন, আমাগো ধান পানির নিচে ডুইবা গেছে। সময়মতো কাটতে না পারলে সব পচে যাবে। শ্রমিক পাইতেছি না, যেই পাইতেছি তারে অনেক বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। এভাবে চাষ করে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠতেছে না। আরেক কৃষক কাদের বলেন, ধান পানিতে থাকার কারণে রং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পচন ধরতেছে। বাজারে নিয়া গেলে ঠিকমতো দামও পাইতেছি না। পানিতে দীর্ঘসময় ডুবে থাকায় ধানের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। স্বাভাবিক রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় বাজারে ন্যায্য মূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। এবিষয়ে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ হাসান বলেন, অতিরিক্ত পানির কারণে চলনবিল এলাকার কিছু জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দিচ্ছি এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা