মঙ্গলবার (১৯মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের দক্ষিণসাগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনায় নি’হ’ত ঝন্টু হোসেন (৩২) জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া (সিট-চারাবাড়ি) গ্রামের শফিয়ার রহমানের এবং আহত আশানুর রহমান (৩৫) মশিয়ার রহমানের ছেলে।
আহ’ত আশানুর, নিহ’ত ও আহ’তদের পরিবার, পুলিশ এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, হ’তাহ’তদের মামা ফুলসারা ইউনিয়নের সিট-চারাবাড়ি গ্রামের জুলফিকার আলীর মেয়ে তামিমা আক্তার জুঁই (১৪) দক্ষিণ সাগর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে শান্তি মিয়ার (২১) সাথে ১৮ই মে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে চৌগাছা থানায় অভিযো’গ করে জুঁইয়ের পরিবার। পরে বিষয়টি নিয়ে শান্তির পরিবারের সাথে জুঁইয়ের পরিবারের যোগাযোগ হলে তারা ১৯মে জুঁইকে পরিবারের কাছে ফেরৎ দিতে রাজি হয়।
সে বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণসাগর প্রাইমারি স্কুল মাঠে সালিশ বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো। এক পর্যায়ে জুঁইয়ের প্রেমিকের পক্ষ নিয়ে দক্ষিণসাগর গ্রামের জহুরুল ইসলাম দাউদের ছেলে আবু উবাইদা (৩৫) ঝন্টু ও আশানুরের সাথে বিবা’দে জড়ায়। এসময় কথাকা’টাকা’টির এক পর্যায়ে আবু উবাইদা তার কাছে থাকা ছু’রি দিয়ে এলোপাথা’ড়ি ঝন্টুর বুকের বামপাশে দুটি এবং আশানুরের বুকের মাঝখানে একটি ছু’রিকাঘা’ত করে পালিয়ে যায়। এতে তারা মা’রাত্ম’ক আহ’ত হয়। ঝন্টু ও আশানুরের চিৎকারে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। জানা যায় ঝন্টুকে মা’রার সময় আশানুর ঠেকাতে গেলে তাকেও ছু’রি মা’রে আবু উবায়দা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা ইয়াসমিন জ্যোতি পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ঝন্টুকে মৃ’ত ঘোষণা করেন এবং আশানুরকে প্রথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাত ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হসপিটালে রেফার্ড করেন।
ডা. ফাহমিদা ইয়াসমিন জ্যোতি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ঝন্টুর মৃ’ত্যু হয়। এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য আশানুরকে রেফার্ড করা হয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশীদ পিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি মেয়ের পালিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনা ঘটেছে।