শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা।
সরকারি সূত্র জানায়, পাঁচ বছর মেয়াদি এ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ হাজার ৯৬০ হেক্টর ব্লক বাগানে ৪ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার চারা, ৩ হাজার ৭২৭ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার চারা এবং ৪ হাজার হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগানে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৬ হাজার চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বসতবাড়ি বনায়নের জন্য আরও ৫৬ লাখ চারা বিতরণ ও রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে তিনি সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন এবং পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং একটি সুধী সমাবেশে অংশ নেন।