চুয়াডাঙ্গা জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউজে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জনাব নিতাই রায় চৌধুরী পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মহোদয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসন, চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জনাব নিতাই রায় চৌধুরী।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিসেস লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মেহেদী শাহরিয়ার, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা এবং জনাব মোঃ শরীফুজ্জামান শরীফ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা।
পুলিশ সুপার জনাব মেহেদী শাহরিয়ার তাঁর বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকল সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখা, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনগণের নিরাপত্তাবোধ ও প্রশাসনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।