• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
Headline
মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পেকুয়ায় ৩১ তরুণের উদ্যোগে ‘মাতৃভূমি কল্যাণ পরিষদ’-এর আত্মপ্রকাশ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ইলিশিয়া গরুর বাজার চালানোর অভিযোগ মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পেকুয়ায় ৩১ তরুণের উদ্যোগে ‘মাতৃভূমি কল্যাণ পরিষদ’-এর আত্মপ্রকাশ লামা-চকরিয়া সড়কে মোটরসাইকেল-চান্দের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২ ওযু করতে গিয়ে পা পিছলে আহত ইমাম, ভাঙা সড়কের কারণে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু চকরিয়ার হারবাং অভয়ারণ্যে বনভূমি দখলের মহোৎসব, গাছ নিধন ও পাহাড় কাটার অভিযোগ জাতিসংঘে বিশ্ব যুব সম্মেলনে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী একমাত্র প্রতিনিধি তামরিন পেকুয়ায় আলভী-মনোয়ারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ লাঠিয়াল বাহিনী নয়, জনতার পুলিশ গড়ার প্রত্যয়: পুলিশ সুপার গরু ক্ষেতে ঢুকায় চৌগাছায় নারীকে পিটিয়ে আহত, থানায় অভিযোগ

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুততম রায়: সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৭৩ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার বহুল আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন হওয়ায় এটিকে দেশের বিচারিক ইতিহাসের অন্যতম দ্রুততম রায় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত রায়ে আদালত বলেন, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করেছেন সোহেল রানা—এ অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত মনে করেন, সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার অপরাধ সংঘটন ও তা গোপনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক উল্লেখ করেন, স্বপ্না তার স্বামীর অপরাধ ঠেকানোর কোনো চেষ্টা করেননি; বরং অপরাধ আড়াল, মরদেহ গুমের চেষ্টা এবং সোহেলকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। ফলে আইন অনুযায়ী তিনি সমানভাবে দায়ী এবং সর্বোচ্চ শাস্তির যোগ্য।

আদালত বলেন, “এটি শুধু একটি শিশুর বিরুদ্ধে নয়, পুরো সমাজের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ। এমন নৃশংস ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা বিচার বিভাগের দায়িত্ব।”

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতিরিক্ত তিন প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং সকাল সাড়ে আটটা থেকে পৌনে নয়টার মধ্যে দুই আসামিকে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে আনা হয়। বেলা ১১টার কিছু পর তাদের এজলাসে তোলা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন মহল সোচ্চার ভূমিকা পালন করে।

ঘটনার দিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন নিহত শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা